মেইন ম্যেনু

ডাকসু নির্বাচন হতেই হবে, নইলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হয়ে যাবে শূন্য

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রদেরই কেবল ছাত্র রাজনীতি করা উচিত। ডাকসু নির্বাচন হতেই হবে, তা না হলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব শূন্য হয়ে যাবে।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০তম সমাবর্তন বক্তব্যে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে বেশিরভাগ ছাত্রনেতার বয়স ৪৫ থেকে ৫০ বছর। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ছাত্রদের সঙ্গে মিশতে পারে না, তাই ডাকসুর মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করতে হবে। নেতৃত্ব নির্বাচনে অবশ্যই নিয়মিত ছাত্রদের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

সমাবর্তনে উপস্থিত গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমাদের কাছে এ প্রত্যাশা করি যে, জীবনের সকল ক্ষেত্রে যেন সততা, নৈতিকতা বজায় রাখতে পার। সে ব্যাপারে সচেষ্ট হবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যা অর্জন করেছ দেশ ও মানুষের কল্যাণে ভালোভাবে কাজে লাগাবে।

বক্তব্য দেওয়ার আগে রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের সুপারিশে ৬১ জনকে পিএইচডি, ৪৩ জনকে এমফিল ও ১৭ হাজার ৮৭৫ জনকে গ্র্যাজুয়েট হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এরপর ৯৪টি স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত ৮০ জনকে পদক দেন।

পদক দেওয়ার পর বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সমাবর্তন বক্তা অধ্যাপক অমিত চাকমা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমাদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কানাডার ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট এবং উপাচার্য অধ্যাপক অমিত চাকমাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট অব সায়েন্স ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

এর আগে সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল প্রাঙ্গণ থেকে সমাবর্তনের শোভাযাত্রা শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১১টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শুরু হয় সমাবর্তনের মূল আনুষ্ঠানিকতা। সমাবর্তন উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা সকাল থেকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় অনুষ্ঠানস্থলে আসতে থাকেন। সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া কালো গাউন আর সমাবর্তন ক্যাপ পরে এসেছেন। জীবনের স্মরণীয় মুহূর্তকে ফ্রেমবন্দি করছেন তারা।