মেইন ম্যেনু

ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত হলে যে ৫টি ফল খাওয়া উচিৎ নয়

আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে সব ধরণের ফলই খেতে পারবেন, তবে পরিমিত পরিমাণে। পুষ্টিবিদদের মতে, ডায়াবেটিসের রোগীদের কোন ফল খেতেই নিষেধ করা হয়না। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকেনা বা খুব বেশি ওঠানামা করে তাদেরকে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত কয়েকটি ফল এড়িয়ে যেতে বলা হয়। সেই ৫ টি ফলের কথা জেনে নিই চলুন।

১। আম

আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৫০ এর বেশি থাকে। তাই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে না থাকলে আম খেতে নিষেধ করা হয়। যদি আপনার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে ৫০ গ্রাম বা তার কম পরিমাণ আম খান। এছাড়া খাবার খাওয়ার পর পরই আম খাবেন না। কারণ এতে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

২। কলা

পটাসিয়াম ও সুগারে সমৃদ্ধ কলা, তাই অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের রোগীদের কলা খেতে নিষেধ করা হয়। যদি আপনার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে একটি ছোট কলা (৫০-১০০ গ্রাম) খেতে পারেন।

৩। আতা

আতা ফল গ্লুকোজে সমৃদ্ধ বলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রার উঠানামা করার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এমনকি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আতা ফল পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিৎ।

৪। সফেদা

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের রোগীদের সফেদা ফল খেতে নিষেধ করা হয়। যদি আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও থাকে তাহলেও দৈনিক ৮০ গ্রাম বা এক কাপের এক তৃতীয়াংশ পরিমাণের বেশি সফেদা খেতে নিষেধ করা হয়। এর চেয়ে বেশি পরিমাণে খেলে স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

৫। আঙ্গুর

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের আঙ্গুর খাওয়া উচিৎ নয়। এর পরিবর্তে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সাইট্রাস ফল যেমন- লেবু বা কমলা খেতে পারেন। কারণ এগুলো ব্লাড গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি প্রতিরোধে সাহায্য করে। যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে ৬-৭ টি আঙ্গুর খেতে পারেন।