মেইন ম্যেনু

‘ডিএনএ ছাড়া ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নয়’

কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর লাশের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ডিএনএ প্রতিবেদন ছাড়া প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিক্যাল বোর্ড।

কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মহসিন-উজ-জামান চৌধুরীর সঙ্গে বোর্ডের সদস্যদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত ওই সভায় অধ্যক্ষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেডিক্যাল বোর্ডের তিন সদস্য কামদা প্রসাদ সাহা, করুণা রানী কর্মকার মো. ওমর ফারুক।

এ ছাড়া তনুর লাশের প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক শারমিন সুলতানাও উপস্থিত ছিলেন। পরে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের দপ্তরে তারা আবারো বৈঠকে বসেন।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মহসিন-উজ-জামান চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উকিল নোটিশের জবাব আমরা সরকারি কৌঁসুলির মাধ্যমে দেব। প্রথম ময়নাতদন্তের সঙ্গে আমি জড়িত নই। কামদা প্রসাদ সাহাও জড়িত নন। চিকিৎসক শারমিন সুলতানা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবীর মাধ্যমে তার জবাব দেবেন।’

ডা. কামদা প্রসাদ সাহা বলেন, ‘ডিএনএ প্রতিবেদন ছাড়া দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেব না। তনুর লাশের প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে চিকিৎসক শারমিন সুলতানা এবং দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়ে আমরা হয়রানির মধ্যে রয়েছি। বিষয়টি বিএমএ ও কলেজের অধ্যক্ষকে জানানো হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২০ মার্চ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজছাত্রী তনুর লাশ কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। ২১ মার্চ তনুর লাশের প্রথম ময়নাতদন্ত হয়। প্রথম ময়নাতদন্তে তনুকে ধর্ষণের আলামত ও হত্যার কারণ জানা যায়নি। দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত ও ডিএনএর আলামত সংগ্রহের জন্য ৩০ মার্চ তনুর লাশ কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়।

এদিকে ডিএনএ প্রতিবেদনে তনুর কাপড়ে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে ১৬ মে জানায় সিআইডি। সিআইডি থেকে ডিএনএ প্রতিবেদন পেতে আবেদন করে মেডিক্যাল বোর্ড। তবে সিআইডি জানায়- এ প্রতিবেদন আদালত থেকে নিতে হবে। গত ৫৯ দিনেও দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।