মেইন ম্যেনু

ডিএনসিসি মার্কেটের মালামাল গুলশানের রাস্তায়

রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরের ডিএনসিসি মার্কেটের একাংশ আগুনে ধসে পড়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২২টি ইউনিট কাজ করছে। সর্বশেষ তথ্য মতে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এদিকে পাশের দোকানগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আশঙ্কায় মার্কেটের অন্যান্য দোকানের মালামাল রাখা হয়েছে রাস্তায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর ডিএনসিসি মার্কেটের অধিকাংশ দোকান পুড়ে গেছে। মার্কেটের অন্যান্য দোকানের মালামাল সরিয়ে রাস্তায় নামিয়ে রাখছেন মালিকরা। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পাশের গুলশান শপিং সেন্টারের প্রায় সব দোকানের মালামাল রাস্তায় নামিয়ে রাখা হয়েছে।

গুলশান-১ গোল চত্বর ও আশপাশের সড়কে যত্রতত্র রাখা হয়েছে দামি চেয়ার, টেবিল, খাট, ড্রেসিং টেবিল, সোফা, আলমারি, এসি, নামি শোপিস, ডাইনিং টেবিলসহ গৃহসজ্জার নানা সরঞ্জাম। এসব মালামালে প্রায় ভরে গেছে গুলশানের রাস্তা। অনেকে আবার ট্রাকে নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছেন এসব জিনিসপত্র।

মার্কেটের ফার্নিচার দোকান মালিক আবুল হোসেন তিনি বলেন, যে কোনো সময় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় মালামাল নিরাপদ দূরত্বে সরানোর চেষ্টা করছি। তবে মালামাল খোয়া যাওয়ার ভয়ও কাজ করছে। তাই নিরাপত্তা দিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বার বার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ডিএনসিসি মার্কেটের রিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক রুনা আহমেদ আহজারি করে বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসার কারণ ফায়ার সার্ভিস। তারা ঠিক মতো পানি দিলে আগুন হয়তো নিভে যেত। আমার দেড় কোটি টাকার মালামাল আছে দোকানে। সব শেষ হয়ে যেতে বসেছে।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) মেজর শাকিল নেওয়াজ জানান, মার্কেটের বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বলছে। এক জায়গায় কিছুটা নিভলেও অন্যদিকে জ্বলে উঠছে। পানি দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে পানি আনতে সময় লাগছে। ফলে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে।

অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মহাখালী-গুলশান, গুলশান-২ থেকে গুলশান-১ ও হাতিরঝিল এবং বাড্ডা লিংক রোড থেকে গুলশান-১ এলাকায় যাতায়াতের রাস্তা অনেকটাই বন্ধ। ফলে যাত্রীবাহী গাড়ি চলছে ধীরগতিতে।