মেইন ম্যেনু

দেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন শিগগিরই : পলক

দেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে শিগগিরই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) অনুমোদন দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। মন্ত্রণালয়ে থাকা এই আইনের খসড়া অনুমোদনের জন্য শিগগিরই মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্বব্যাংক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

ডিজিটাল ডিভাইস বা প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করে সংঘটিত যেকোনো ধরনের নেতিবাচক কার্যক্রম আইনের আওতায় আনতে সরকার এ আইন করছে।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের আলোচিত ও বিতর্কিত ৫৭ ধারা নিয়ে যে সংশয় ছিল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে তা দূর হবে বলে চলতি বছরের জানুয়ারিতে জানিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তখন তিনি বলেছিলেন, এই আইন পাস হলে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ ধারা বাদ দেয়া হবে।

‘২০১৬ ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট : ডিজিটাল ডিভিডেন্ট’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এসএম আশরাফুল। বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টও চিমিও ফান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এতে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন রিপোর্টের কো অর্ডিনেটর দিপক মিশ্রা।

বাংলাদেশে তথ্য-প্রযুক্তির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, একটা সময় শুধু পোশাক রফতানি নিয়ে স্বপ্ন দেখতো বাংলাদেশ। এখন আইসিটি রফতানিতেও আমরা অনেক এগিয়ে গেছি। শিগগিরিই রফতানিতে পোশাক শিল্পের পরই আইসিটির অবস্থান থাকবে। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ৫ বিলিয়ন সমপরিমাণ অর্থ রফতানি আয় করতে চাই; যা হবে মোট জিডিপির ৫ শতাংশ।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন ৭ হাজার ইন্টারনেট বেইজড ইম্প্লয়ার রয়েছে। মানব সম্পদ উন্নয়নের স্বার্থে আমরা একে ২৫ হাজারে উন্নীত করতে চাই। এজন্য যুব সমাজকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে।

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার। এজন্য আমরা দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে ৫ হাজার তথ্য বাতায়ন কেন্দ্র স্থাপন করেছি। যেখান থেকে যেকেউ সহজে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারছে। শুধু তাই নয়, আমরা হাইটেক পার্ক স্থাপন করছি। এর কাজ এগিয়ে চলছে।

চিমিও ফান বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন রয়েছে, বিশ্ব ব্যাংক সে স্বপ্নের অংশীদার হতে পায়। এজন্য যে ধরনের সাহায্য সহযোগিতা লাগে বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ তা দিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তবে তথ্য-প্রযুক্তিতে আরো এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের তা কাজে লাগানো উচিৎ।