মেইন ম্যেনু

ডিসি-এসপির সামনেই ২ প্রার্থীকে পেটালো আ.লীগ

পটুয়াখালীর বাউফলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমানসহ দুই বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মারধর করেছেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এ সময় পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির নির্ধারিত সভায় এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- নওমালা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের বিদ্রাহী প্রার্থী শাহজাদা হাওলাদার ও দাসপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক এ কে এম শামিমুল হক সিদ্দিকী উপজেলা চেয়ারম্যানকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে কেন ও কি কারণে এ হামলর ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। উপজেলার অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। দলে দলে ভাগ হয়ে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছেন স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

এর আগে, সোমবার রাতে বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনয়িন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আশ্রাফ ফকির (৪০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর ওই উপজেলার আওয়ামী লীগ দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও চিফ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ এবং অপর গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন বাউফলের পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল এবং উপজেলা চেযারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান।