মেইন ম্যেনু

ডিসেম্বরে রেলপথে আসছে দ্রুতগতির সেই লাল-সবুজের ট্রেন

রাজশাহীসহ দেশের সকল ব্রডগেজ লাইনে আগামী ডিসেম্বর থেকে লাল-সবুজের পতাকার রঙে রাঙানো আধুনিক ও বিলাসবহুল ট্রেন চলাচল শুরু করবে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও ভারত সরকারের অর্থায়নে তৈরি ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা হচ্ছে ১৭০টি কোচ। এসব ট্রেন চালু হওয়ার ফলে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধিসহ পরিবহন সংকট দূর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে সূত্র জানায়, দেশের ব্রডগেজ লাইনের জন্য ভারতের সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে অত্যাধুনিক ১২০টি কোচ। ইতোমধ্যে ৪০টি কোচ ভারত থেকে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আগামী ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক চলাচলের পর দু-এক মাসের মধ্যে যাত্রীসেবার জন্য ট্রেনগুলো চালু করা হবে।

ট্রেনগুলো রাজশাহী-ঢাকা, চিলাহাটি-ঢাকা, রংপুর-ঢাকা ও খুলনা-ঢাকাসহ দেশের সকল ব্রডগেজ লাইনে চলাচল করবে। ১৭০টির মধ্যে বাকি ৫০টি কোচ এডিপির অর্থায়নে ইন্দোনেশিয়া থেকে নির্মাণ করা হচ্ছে। ভারত থেকে আসা কোচগুলো ভারতের অত্যাধুনিক ট্রেন ‘শতাব্দী’ ও ‘রাজধানী এক্সপ্রেস`র আদলে নির্মাণ করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পশ্চিমাঞ্চলীয় রেলওয়ের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী ইফতিখার হোসেন জানান, ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ১২০টি কোচই চলাচল করবে দেশের ব্রডগেজ লাইনে। ট্রেনগুলো ১৪০ কিলোমিটার বেগে চলার সক্ষমতা রাখে। কিন্তু রেললাইনের সক্ষমতা না থাকায় তা চালানো সম্ভব হবে না। যদি ১১০ কিলোমিটার বেগেও চালানো সম্ভব হয় তাহলেও ট্রেনের সময় কমে আসবে। কোচগুলো আসার পর পদ্মা, সিল্কসিটি ও ধূমকেতুর সব কোচ পরিবর্তন করে লাল-সবুজের আদলে নির্মিত ওই কোচগুলো সংযোজন করা হবে।

তিনি আরও জানান, ট্রেনগুলো চলাচল শুরু করলে কোচের সংখ্যা বাড়বে। এখন যেমন প্রতিটি ট্রেনে ৯টা করে কোচ আছে। ওই ট্রেনগুলোতে ১৩টি করে কোচ থাকবে। প্রতিটি কোচে সিট সংখ্যা থাকবে ৯৯টির স্থলে ১০৫টি করে। এছাড়া দুটি করে এসি চেয়ার ও এসি কেবিন দেয়া হবে।

এ ব্যাপারে পশ্চিমাঞ্চলীয় রেলের জেনারেল ম্যানেজার খায়রুল আলম বলেন, ট্রেনগুলোতে যাত্রী ধারণক্ষমতা ও যাত্রীসেবার মান বাড়ানো হবে। যাত্রী ধারণক্ষমতা বাড়ানোর ফলে দূর হবে পরিবহন সংকট। এতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে রেলওয়ে প্রতিষ্ঠান।



« (পূর্বের সংবাদ)