মেইন ম্যেনু

ডেঙ্গির মাঝেই নতুন চিন্তা এই প্রাণীকে নিয়ে! কারণ জানলে চমকে উঠবেন…

একে রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গি আতঙ্ক। তার সঙ্গে যুক্ত হল স্ক্রাব টাইফাস রোগের আতঙ্ক। এই জ্বরের উপসর্গ প্রায় ডেঙ্গির মতোই। আক্রান্তের গায়ে লাল চাকা চাকা দাগ বার হয়। কলকাতায় ইতিমধ্যেই দু’একজন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক না হলেও কোনওভাবেই স্ক্রাব টাইফাসের সংক্রমণ হাতের বাইরে যেতে দিতে চায় না কলকাতা পুরসভা। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে পুর-কর্তৃপক্ষ। আগামী সপ্তাহ থেকে এই রোগ নিয়ে সচেতনামূলক প্রচারও শুরু করা হবে।

কিন্তু কীভাবে ছড়ায় এই রোগ? পুরসভার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাইট নামে ক্ষুদ্রকায় একটি প্রাণী কামড়ালে ব্যাকটেরিয়াঘটিত এই অসুখ হয়। যার জন্য দায়ী ওরিয়েনসিয়া শুশুগামুসি নামের একটি ব্যাক্টেরিয়া। মাইট কোনও পোকা নয়। কলকাতা পুরসভার মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাস জানিয়েছেন, আকারে মাইট ০.২মিলিমিটার থেকে ০.৪ মিলিমিটার মাপের হয়। একমাত্র মাইটের লার্ভা থেকে এই রোগ ছড়ায়। কলকাতার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথে্‌ ভর্তি হওয়া এক শিশুর শরীরে সম্প্রতি এই রোগ ধরা পড়ে। সাম্প্রতিককালে কলকাতায় এইরোগের কথা শোনা যায়নি। কলকাতায় মাইটের উপস্থিতির সম্ভাবনা নেই।

উত্তরবঙ্গের মিরিক এবং সংলগ্ন তরাই অঞ্চলের জঙ্গলে এই ধরনের মাইটের খোঁজ পাওয়া যায়। কোনও বাহকের মাধ্যমেই কলকাতায় এই রোগ ছড়িয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন পুরসভার বিশেষজ্ঞরা। ডেঙ্গির নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ না থাকলেও স্ক্রাব টাইফাসের ওষুধ রয়েছে। ফলে সঠিক চিকিৎসা হলে জীবনহানির আশঙ্কা কম। তাছাড়া এই রোগ ছোঁয়াচেও নয়। কিন্তু কলকাতায় হাতেগোনা কয়েকটি ল্যাবরেটরিতে এই রোগ নির্ণয়ের পরিকাঠামো রয়েছে।

কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, ‘স্ক্রাব টাইফাস নিয়ে কলকাতায় সেভাবে সচেতনতা না থাকায় এই ধরনের জ্বরেও অনেক সময় চিকিৎসকরা ডেঙ্গি বলে সন্দেহ করছে। ফলে স্ক্রাব টাইফাস নিয়ে আমরা মানুষকে সচেতন করতে চাই।’