মেইন ম্যেনু

ডেঙ্গু ও জিকা ভাইরাস দমনের নতুন উপায়

ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে মশা বাহিত ভাইরাসের সংক্রামণ বন্ধ করার উপায় খুঁজে পেয়েছে বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, ‘ওলবাচিয়া’নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া মশার ডেঙ্গুর জীবানু বহনের ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই ব্যাকটেরিয়া কার্যকর থাকায় ভবিষ্যতে পৃথিবী হবে ডেঙ্গু ও জিকার মত মশা বাহিত ভাইরাস মুক্ত এমনটাই আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

পরীক্ষাগারে এ মশাগুলোর শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে এক ধরনের বিশেষ ব্যাকটেরিয়া ‘ওলবাচিয়া’। বিশেষ এই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের মধ্যে। ব্যাকটেরিয়াটির বৈশিষ্ট্য হল এটি শুধুমাত্র স্ত্রী মশাদের আক্রমণ করে ডেঙ্গু ভাইরাস বহন করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। পাশাপাশি মশার মাধ্যমে এই ডেঙ্গু প্রতিরোধকারী এই ব্যাকটেরিয়া মানুষের দেহেও প্রবেশ করবে। ফলে মানুষও পাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধক ক্ষমতা।

মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অব সায়েন্স এর স্কট ও নিল বলেন, মশার ডিনে আমরা এই ব্যাকটেরিয়াটি ইনজেকশনের মাধ্যমে পুশ করি। ফলে এসব মশারা তাদের ডেঙ্গু ভাইরাস বহন করতে পারবে না। আর এ ব্যাকটেরিয়াটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম কার্যকর থাকে।

এই প্রক্রিয়াটি মশারা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া উপর নেথি বাচক প্রভাব ফেলবে এমনটাই মনে করছে অনেকেই। তবে ডেঙ্গু ও জিকার মত রোগের ভাইরাস জনিত সংক্রামণ ঠেকাতে এধরনের উদ্যোগ আশাব্যঞ্জক বলছেন বিশ্লেষকরা।

লন্ডন স্কুল অব হিজেয়েন এন্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের প্রফেসর ডেভিড হেইম্যান বলেন, এতদিন আমরা ব্যাকটেরিয়ার প্রয়োগ ছোট আকারে করেছি। এখন সময় এসেছে তা বড় পরিসরে প্রয়োগ করার। যদিও অনেকে দাবি করছে এতে মশার স্বাভাবিক জীবন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। তবে মানুষের স্বাভাবিক মঙ্গলের কথা বিবেচনা করে এই পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। মশা বাহিত ডেঙ্গু ও জিকার মত ভাইরাসের সংক্রামণ রোধে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এধরনের পরীক্ষাগার।

আর এসব পরীক্ষাগারে বিজ্ঞানীরা দিন রাত চেষ্টা করে যাচ্ছে জিকা ও ডেঙ্গুর মত ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে।