মেইন ম্যেনু

ডেনমার্কে খেলার সুযোগ পেলো সুন্দরবনের ২ ফুটবলার

ক্লাস নাইনের ছাত্র রাজেশ সরদার ও জিয়ারুল পাইক দু’জনেই ফুটবলকে আঁকড়ে ধরে আছে গত চার বছর ধরে। একজন গোলরক্ষক আরেকজন স্ট্রাইকার। দু’জনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে নির্বাচকদের। ফুটবল খেলতে সুদূর ডেনমার্কে যাওয়ার ডাক পেয়েছে ওপার বাংলার সুন্দরবনের দুই কিশোর।

গত চার বছর ধরেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থানার চুনাখালি বিবেকানন্দ ফুটবল অ্যাকাডেমির ছাত্র তারা। কোচ অসীম কয়ালের তত্ত্বাবধানেই চলে তাদের প্র্যাকটিস। মাসখানেক আগে অসীম কয়ালই তাদের দু’জনকে নিয়ে যান কলকাতায় একটি ট্রায়ালে। সেখানে কোচ বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যর চোখে পড়ে যায় এই দু’জনের পারফরম্যান্স। একদিকে রাজেশের গোল বাঁচানোর দক্ষতা আরেকদিকে জিয়ারুলের গোল করার দক্ষতা মুগ্ধ করে নির্বাচকদের। এতেই ডেনমার্কে যাওয়ার ১৬ জনের দলে জায়গা করে নেয় তারা।

রাজেশ আর জিয়ারুলের সাফল্যে চুনাখালি বিবেকানন্দ ফুটবল একাডেমির কর্মকর্তা থেকে শুরু করে তাদের কোচ অসীম কয়ালও খুশি। কিন্তু তাদের এ যাত্রায় বাধ সেধেছে পাসপোর্ট। ১০ জুলাই ডেনমার্কের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা তাদের। তার আগে ১ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে হবে পাসপোর্টগুলো। সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে যাবতীয় ফর্ম পূরণ করা হয়ে গেলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা গোয়েন্দা দপ্তরের ভেরিফিকেশনের জন্য আটকে রয়েছে তাদের পাসপোর্ট। এখনও নাকি গোয়েন্দা বিভাগের ভেরিফিকেশনের কাজই শেষ হয়নি।

সবাই চাইছে যাবতীয় নিয়ম কানুনের গণ্ডি পেরিয়ে তাড়াতাড়ি পাসপোর্ট চলে আসুক তাদের হাতে। কারণ এদের হাত ধরেই ফুটবলের মাধ্যমে ডেনমার্কের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরি করতে চায় সুন্দরবন। যদিও পাসপোর্টের অপেক্ষা না করে প্রতিদিন সুন্দরবনের এই চুনাখালির বড়িয়া মাঠে একাডেমির অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে নিরলস অনুশীলন করে চলেছে রাজেশ ও জিয়ারুল।

উল্লেখ্য, ২৫ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে ডেনমার্কের ডানা কাপ। এটি ডেনমার্কের সবথেকে বড় টুর্নামেন্ট। এমনকি বিশ্বের তৃতীয় বড় যুব টুর্নামেন্ট। যেখানে পৃথিবীর মোট ৪৫টিরও বেশি দেশ অংশগ্রহণ করে থাকে।