মেইন ম্যেনু

ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলিমদের সত্যিকারের বন্ধু : সৌদি যুবরাজ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ১৪ মার্চ ২০১৭ মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে আলোচনায় বসেন তারা। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এ বৈঠককে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি সম্পর্কের এক ‘ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে সৌদি উপ-যুবরাজের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার বিবৃতিতে বলা হয়, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে ট্রাম্পের অভূতপূর্ব আগ্রহ রয়েছে। তিনি মুসলিমদের সত্যিকারের বন্ধু। তার অভিবাসন নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যবস্তু ইসলাম-এমনটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে বিভিন্ন ইস্যুতে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এটা রাজনৈতিক, সামরিক, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক

ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। মোহাম্মদ বিন সালমান মনে করেন না, অভিবাসন নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ মুসলিম দেশ অথবা ইসলাম ধর্মকে লক্ষ্য করে জারি করা হয়েছে। বরং একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে সন্ত্রাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দিতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মোহাম্মদ বিন সালমানের উপদেষ্টা বলেন, ইসলামের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের গভীর শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। তিনি ইসলামকে একটি স্বর্গীয় ও মহান ধর্ম মনে করেন; কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠী যার অপব্যবহার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা’র সময়ে ২০১৫ সালে পরমাণু ইস্যু নিয়ে ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় উপনীত হয় পশ্চিমা দেশগুলো। এ নিয়ে ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে সৌদি রাজপরিবারের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

মঙ্গলবারের বৈঠকেও ইরান ইস্যুতে আলোচনা হয়। সৌদি উপদেষ্টার বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে ‘ইরানের আঞ্চলিক সম্প্রসারণবাদী কার্যক্রমের বিপদ’ সম্পর্কে দুই নেতা অভিন্ন মতামত দিয়েছেন। এছাড়া মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর সৌদি আরবে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেছেন তারা।

২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম সৌদি আরবের শীর্ষ পর্যায়ের কারও সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করলেন। মঙ্গলবারের বৈঠকে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ বিন সালমান দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।