মেইন ম্যেনু

ডোমারে ইউপি সদস্য কর্তৃক চোরাই গরুর চামড়া নিয়ে নারী লাঞ্ছিত, গণধোলাই

নীলফামারী জেলার ডোমারে চোরাই গরুর চামড়া উদ্ধারের পর ইউপি সদস্য গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায়।

সরেজমিনে জানা যায়, ১লা আগষ্ট শনিবার সকালে জোড়াবাড়ী দণি পাড়া গ্রামের ওয়ালিয়ার রহমানের পুত্র গরু চোর আঃ ছালাম ব্যাগে করে গরুর চামড়া নিয়ে জামিয়ার স্কুল এলাকার চামড়া ব্যবসায়ী আব্দুর রউফের স্ত্রী ফেরদৌসী কাছে বিক্রি করতে যায় । এমতাবস্থায় গ্রাম পুলিশ আফজাল ও ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদার পুশু ব্যাগটি আটক করে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাড়া গ্রামের নিতাই চন্দ্রের গোয়াল ঘড় থেকে ১টি গরু চুরি হয়। বিষয়টি বোড়াগাড়ী চেয়ারম্যান জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের মেম্বারদের জানিয়ে রাখে।

চামড়া আটকের পর তাৎক্ষণিক ভাবে তা গরুর মালিক নিতাই চন্দ্রের নিকট নেয়া হলে চামরাটি দেখে তারই হারিয়ে যাওয়া গরুর চামড়া বলে সনাক্ত করে। এদিকে পুশু মেম্বার চামড়া ব্যবসায়ীর স্ত্রী ফেরদৌসীকে অপমান অপদস্ত করে জোর পূর্বক পরিষদে নিয়ে আটকে রাখে। ফেরদৌসীর স্বামীর অনুপুস্থিতিতে তাকে বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে আটকে রাখায় সাবেক ইউপি সদস্য মনজেল সহ এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে পুশু মেম্বারকে এলোপাথারী কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে গ্রাম পুলিশরা পুশুকে জনতার কবল থেকে উদ্ধার করে পরিষদে লুকিয়ে রাখে। এক পর্যায়ে জোড়াবাড়ী চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন ও বোড়াগাড়ী চেয়ারম্যান ইছাহাক আলী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।

ফেরদৌসী বেগম জানান, পুশু মেম্বার আমার কোমড়ে রশি বেঁধে নিয়ে যেতে চাইলে মান-সন্মানের ভয়ে তাদের সাথে পরিষদে যাই। একজন গৃহবধুকে এধরনের চুরির দায়ে অপমান অপদস্ত করায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী।

অন্যদিকে অভিযোগ আছে, ছালাম চোরের কাছ থেকে পুশু মেম্বার ও গ্রাম পুলিশরা মোটা অংকের অর্থ নিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এলাকায় চুরি, ছিনতাই সহ নানা অপকর্ম করে আসছে । এলাকাবাসী আঃ ছালাম চোর ও তার সহযোগি পুশু মেম্বারের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেছেন।