মেইন ম্যেনু

ডোমারে স্বামীর পরকিয়ায় বাঁধা দেয়ায় স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা

শরিফুল ইসলাম, নীলফামারী থেকে: নীলফামারী ডোমারে স্বামীর পরকিয়া প্রেমে বাঁধা দেয়ায় ২সন্তানের জননী গোলাপী বেগম(২৪) কে গলাটিপে হত্যা করেছে এক পাশন্ড স্বামী। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় ফাঁস লাগানোর কথা বলে দেবীগঞ্জ হাসপাতালের মেঝেতে রেখে পালিয়ে যায় ছেলের বাড়ীর লোকজন।

সরেজমিনে যানাযায়, ডোমার সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চিলাই বদলী পাড়া গ্রামের আছির উদ্দিন মুন্সির পুত্র বিদ্যুৎ মিস্ত্রি জাহিদুলের সাথে দেবীগঞ্জ কামাতপাড়া গ্রামের আব্দুল গফ্ফারের কন্যা গোলাপীর ৬বছর পূর্বে বিয়ে হয়। তাদের সংসার জীবনে ২টি সন্তান রয়েছে।

লম্পট জাহিদুল পাশের গ্রামের একটি মেয়ের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পরে। এনিয়ে তাদের সংসারে অশান্তি নেমে আসে, প্রায় মারধর করে গোলাপীকে। ঘটনার আগের দিন গোলাপীকে নির্যাতন করে। ২৯মার্চ মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রচন্ড ঝগড়া বিবাদ হয়। দুপুর ১২টায় হঠাৎ দেখে ঘরে গোলাপীর লাশ পড়ে আছে।

জাহিদুলের ভাবী সুলতানা ও অজিফা লাশ দেবীগঞ্জ হাসপাতালের মেঝেতে রেখে পালিয়ে যায়। এবং বাড়ীতে এসে গোলাপী গলায় ফাঁস দিয়ে আতৎহত্যা করেছে বলে অপপ্রচার চালায়। দেবীগঞ্জ হাসপাতালের ডাক্তার ও পুলিশ লাশের সুরতহালে শরীরে ও গলায় আঘাতের চিহৃ দেখে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারনা করেন।

এবিষয়ে গোলাপীর বাবা আব্দুল গফ্ফার বলেন, আমার মেয়েকে দীর্ঘদিন থেকে তারা নির্যাতন করে আমি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে বেশ কয়েকবার বিচার শালিশ হয়। বুধবার সকালে লাশ ময়না তদন্তের জন্য পঞ্চগড় মর্গে পাঠানো হয়।

বিকালে দেবীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কবর স্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। সেই থেকে গোলাপীর স্বামী ও শশুর বাড়ীর লোকজন পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে, হত্যাকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জোর দাবী জানায় গোলাপীর পিতার পরিবার