মেইন ম্যেনু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের অবসান, স্বস্তিতে যাত্রীরা

মাসুদ আলম : দরজায় কড়া নাড়ছে, মসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর সেই সুবাদে বিভিন্ন কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছেন স্বজন ও পরিবারের সাথে ঈদুল ফিতরের আনন্দের আমেজ ভাগা-ভাগি করে নিতে। আর তাতে যদি হয় সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থা ভোগান্তিহীন।

তাই ঈদকে সামনে রেখে ঘরমূখী মানুষকে যানজট মুক্ত ও দুর্ঘটনা এড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে ঈদ উপহার দিয়ে, বহু প্রত্যাশিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফোরলেন উদ্বোধন করেন।

সরেজমিনে পূর্বে যানজট পূর্ণ কয়েকটি স্পটে গিয়ে দেখা গেল, যানজট মুক্ত পরিবেশ। পরিবহন চালক, শ্রমিক ও ঈদে বাড়ি ফেরা ঘরমূখী যাত্রীদের মুখে হাসি ও মনে স্বস্থি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পূর্বের উৎসব গুলোতে দেখা মিলতো ঘন্টার পর ঘন্টার যানজট। ওই দীর্ঘ সময় যানজট কবলে পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়তো অনেক যাত্রী। এমনকি এ্যা¤ু^লেন্স থেকেই বিদায় নিত অনেক মূমূর্ষু রোগি। যা ছিল খুব বেদনা দায়ক দৃশ্য। ওই বেদনা দায়ক দৃশ্যগুলোর অবসান ঘটেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে।

যানজট মুক্ত সড়ক পেয়ে মনে স্বস্থি নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়া মোহাম্মদ মুন্ন নামে এক যাত্রি বলেন, যানজট মুক্ত ভ্রমণ কার না ভালো লাগে? ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত আসলাম চোঁখে কোন যানজট বা দুর্ঘটনা দেখলাম না। যদি আমাদের দেশের সব গুলো মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়ক ফোরলেন করা হতো। তাহলে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা থেকে মুক্তি মিলতো।

ঢাকা থেকে ফেনী যাওয়া আরেক যাত্রি বাদল হোসেনের একই কথা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট মুক্ত রূপ ধারণ করেছে। এমনকি কমেছে সড়ক দুর্ঘটনা।

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-নোয়াখালী রোড়ের কয়েকজন পরিবহন চালক বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফোরলেনের কাজ সম্পূর্ণ ভাবে শেষ না হলেও! সড়কটি বর্তমানে যানজট মুক্ত। অন্যান্য উৎসব গুলোর ৪/৫ দিন আগে পরে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় বসে থাকতে হতো। কিন্তু আজ দুইদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি চালিয়ে আনন্দ পাচ্ছি।

এব্যাপারে কুমিল্লা জেলা হাইওয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনামুল হক জানান, ঐতিহ্যবাহী যানজট কবলিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দীর্ঘদিনের রূপ পরিবর্তন হয়ে এসেছে। দীর্ঘ এই শত মাইল সড়কটিতে নেই বিন্দু মাত্র যানজট। এমনকি ঘটতেও শুনা যায়নি কোন ধরনের দুর্ঘটনা। আশা করি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজট অবসান ঘটেছে।