মেইন ম্যেনু

তজুমদ্দিনে শিশুদের জগড়ার জের ধরে মা-বাবা উভয়ে হাসপাতালের বেডে

মোহাম্মদ তন্ময়, তজুমদ্দিন, ভোলা থেকে: শিশুরা একে অপরের সহপাঠী অনদিকে খেলার সাথী । কিন্তু এই খেলার সাথীদের ঝগড়ার জের ধরে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামে দুই শিশুর পরিবারের মাঝে ব্যাপক হারে ঝগড়ার বিস্তৃতি প্রকাশ পায়।

ঘটনাটি উক্ত উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামের পাঞ্চায়িত কান্দির জগদী মুন্সী বাড়ির দরজায় ঘটনা ঘটে। দুই জনের পিতা মাতার সংঘর্ষে তজুমদ্দিনে স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুরুষ ১১নং ও মহিলা ৭নং বিছানায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন দুই জনের পরিবারের সদস্য।

স্থানীয়রা জানান- বাবুল নামক ব্যক্তির ছোট ছেলে সুমন(৭) ও পাশবর্তী তমিজউদ্দিন পাঠওয়ারি বাড়ির মফিজল ইসলামের ছোট ছেলে শাওন(৮) বেলা দেড়টার দিকে দুইজন খেলা-ধুলায় মেতে উঠে। এক পর্যায়ে দুই জনের মাঝে ঝগড়া সৃষ্টি হলে থামিয়ে দেয় সুমনের বাবা বাবুল । ঝগড়া মিটিয়ে দিতে শাওনকে লাঠি দ্বারা আঘাত করলে, এই খবর তার ভাই সজিব জানতে পারে।

সজিব ছুটে এসে সুমনের বাবা বাবুলকে, তার ভাই শাওনকে আঘাত করার কারন জানতে চাই? উভয়ের মাঝে উচ্চস্বরে মুখ বকাবকি হয়ে, একে অপরের মাঝে বাঁশের লাঠি দ্বারা নিক্ষেপ্ত করতে থাকেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান- এক পর্যায়ে বাবুল শাওনের বড় ভাই সজীবকে পুকুরের ভরপুর পানির মাঝে ডুবিয়ে রাখে। এই খবর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে- সজীব,শাওনের মাতা কুলসুম বেগম ছুটে আসেন।

কুলছুম আক্তার বলেন- আমার ছেলেকে পানির মধ্যে ডুবিয়ে রাখার দৃশ্য দেখে চিৎকার করতে থাকি। কোনো মতে বাবুলের কবল থেকে ছেলে রেহাই না পাওয়া দেখে, আমি তাকে টেনে ধরে ছেলেকে মুক্তি করি। অমনি দেখা যায় বাবুল আমাকে সুপারির লাটি ও হাত দ্বারা আমাকে অস্বাভাবিক নির্যাতন করেন। সুমনের বাবা বাবুল জানান- আমি ওদের ঝগড়া বন্ধ করতে দুইজনকে বাঁশের কঞ্চি দ্বারা একটা মেরে ঝগড়া বন্ধ করি।

শাওনের ভাই সজীব এসে বকা জকার সাথে বলেন আমার ভাইকে পিঠানোর আপনি কে এবং লাঠি নিয়ে আমার গাঁয়ে আঘাত করে।কোনো মতে বন্ধ না করতে পেরে তাকে পানির কিনারায় নিয়ে ভয় দেখায়। এই অবস্থায় সজীবের মা কুলছুম এসে আমার লুঙ্গি টেনে হেঁচড়ে ধরে,পর মুহুর্তে সজীব উঠে আমার পিঠে ৪-৫টি কামড় ও কুলছুম মিলে দুই জনে হাত-লাঠি দ্বারা ব্যাপক হারে আঘাত করে।

কুলছুম ও তার ছেলের প্রকাশ না করার কর্মকান্ডের জন্য হাসপাতালের রিপোর্ট নিয়ে অতি দ্রুত আইনের অসহায়তা নিবে বলে জানান বাবুল।