মেইন ম্যেনু

তদন্তে ‘নতুন সূত্র’ কালো মাইক্রোবাস

পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা তদন্তে নতুন সূত্র হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে একটি কালো মাইক্রোবাস।

চট্টগ্রামের সিটিজিনিউজ.কম জানায়, মোটর সাইকেল ও এসএমএসের পর মিতু হত্যা তদন্তে নতুন সূত্র কলো মাইক্রোবাস। হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া কালো মাইক্রোবাসটিকে জঙ্গিদের বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ইকবাল বাহার বলেছেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা কালো মাইক্রোবাসটি জঙ্গিদের হতে পারে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা থাকতে পারে, কারণ জঙ্গি অপারেশনের সময় পেছন থেকে এরকম ব্যাকআপ দেওয়ার প্রবণতা থাকে।

চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার জানান, তদন্তে শুধু ঘটনাস্থলের ফুটেজই একমাত্র ভরসা নয়। নগরীর অন্য এলাকা থেকেও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সবকিছু বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে এসব মোটর সাইকেল এবং মাইক্রেবাস কোথা থেকে এসেছে, মোটর সাইকেল রেখে তারা কোথায় গেছে।

‘এসব দেখে মূল জায়গায় হাত দিতে সময় নিচ্ছি,’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইকবাল বাহার জানান, মোটর সাইকেলের এক মালিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিস্তারিত উল্লেখ না করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে জানানো হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবার জানার আগ্রহ আছে। কিন্তু সব কিছু সব সময় বলা যায় না, একটা পর্যায় পর্যন্ত বলা যাবে।

হত্যাকাণ্ডে কোন পুলিশ সদস্য জড়িত কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে ইকবাল বাহার বলেন: তদন্তে যাকেই পাওয়া যাক কাউকে ছাড়া হবে না, আমাদের সদস্য হলেও না।

পুলিশ কমিশনার বলেন, মিতুর মোবাইল ফোনে ছেলে মাহিরের স্কুল থেকে কোন এসএমএস দেয়া হয়নি বলে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানিয়েছে।

পুলিশ পরিবারের নিরাপত্তা প্রশ্নে তিনি বলেন, “গুলি- বন্দুক দিয়ে সব সময় নিরাপত্তা হয় না, এটাই প্রথম আঘাত আসলো পুলিশ পরিবারের সদস্যদের উপর, এ ব্যাপারে নতুন করে চিন্তা ভাবনা চলছে।”

রোববার সকালে চট্টগ্রামের জিইসি সংলগ্ন এলাকায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দেওয়ার সময় মোটর সাইকেল আরোহী তিন দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাত ও গুলিতে নিহত হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু ।

এই ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদি হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করেছেন যার তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার ভোররাতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার হওয়া মোটর সাইকেলটি জব্দ করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

মাহমুদা খানমকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা জড়িত না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।