মেইন ম্যেনু

তনু-মুক্তিযোদ্ধা হোসেন হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থিয়েটারের নাট্যকর্মী, মেধাবী ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু ও কুড়িগ্রামের মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীর বর্বরোচিত হত্যাকান্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ফাঁসি নিশ্চিত করার দাবি জানান বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম-বোয়াফ।

শুক্রবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টার সময় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনের সভাপতি ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক হলেও সত্য, ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের হাত থেকে তিনটি ইভেন্টে প্রথম পুরস্কার গ্রহণ করার কথা যার, সেই সোহাগী জাহান তনু বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ, তীব্র নিন্দা এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি নিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরসহ বাংলার রাজপথ আজ উত্তাল।

স্বাধীনতাবিরোধী ও ধর্মান্ধ মৌলবাদের সমালোচনা করে তিঁনি আরো বলেন, চুয়াল্লিশ বছর পরেও স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের পথে ঘাটে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধার নীরব-নিথর মরদের পড়ে থাকে, পড়ে থাকে আগামী দেশ গড়ার নতুন উদ্যমে চলা নতুন প্রজন্ম তনুর মরদেহও। মেধাবী ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু ও মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীর হত্যার মহোৎসব অচিরেই বন্ধ করতে না পারলে বাংলাদেশের অর্জিত সম্মান ধূলোয় মিশে যাবে আর প্রজন্ম হারাবে তাঁদের চেতনা শক্তি যা ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক অশনি সংকেত।

সোহাগী জাহান তনু ও মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যাকারীদের যত দ্রুত সম্ভব গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন বক্তারা।

মানববন্ধনে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসনুদ আহমেদ, সহ-সভাপতি সৈয়দ রাজিব আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরামুল হক, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির মহাসচিব, মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মানবাধিকারকর্মী বাকি বিল্লাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।