মেইন ম্যেনু

তরুণরা যৌনশিক্ষা নিচ্ছে হার্ডকোর পর্ন থেকে: বিশেষজ্ঞ মত

“কিছু ছেলে এবং মেয়ে মনে করেন যৌনতা বিষয়টিই হিংস্রতার-যৌন মিলনের সময় চেইন কিংবা চাবুক দিয়ে আঘাত করা স্বাভাবিক ব্যাপার।” এ কথাগুলো এক কিশোর মেয়ের। এই সুরের সাথে তাল মিলিয়ে বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফির কারণে তরুণরা তা থেকেই যৌনশিক্ষা নিচ্ছেন।

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির জন্য সব সময়ের চাইতে সহজলভ্য হয়ে উঠছে পর্নোগ্রাফি। এ বিষয়ে যৌন শিক্ষক মারি ক্রাবি বলছেন, এটা খুব বড় একটি সমস্যা।

তিনি আরো বলেন, পর্ন অনেকের জন্যই তর্কসাপেক্ষ হলেও যৌনশিক্ষার মাধ্যম, হয়তো সকল তরুণদের জন্য। তারা পর্ন ছবিতে এমন কিছু বিষয় দেখছে যেগুলোকে তারা খুব সাধারণ হিসেবে মনে করলেও বাস্তবে কেউই হয়তো সেরকমটি করেন না।

এ বিষয়ে মনোবিজ্ঞানী রুসেল প্রাট বলেন, অনেক তরুণ বিশ্বাস করেন তারা পর্দায় যেটা দেখছেন সেটাই হয়তো সত্য এবং বেশিরভাগ পর্ন ছবির কাহিনীই হিংস্রতায় পূর্ণ।

তিনি আরো বলেন, যদি কোন তরুণ ১৩ কিংবা ১৪ বছর বয়সে টানা এক বছর পর্ন ছবি দেখেন এবং বাস্তবে কারো সাথে যৌন মিলনে লিপ্ত না হন তবে এ বিষয়টি তার কাছে ‘স্বাভাবিক’ মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। এর মধ্যে কোন ভদ্রতা নেই, ভালবাসা নেই কিংবা মজাও নেই। এর মধ্যে রয়েছে পাশবিকতা এবং হিংস্রতা।

অ্যানি হিল নামের ১৮ বছরের এক তরুণী বলেন, পর্ন কীভাবে তরুণদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে সেটি তিনি বাস্তবেই দেখতে পেয়েছেন। তিনি বলেন, তরুণরা হার্ডকোর সেক্সকে স্বাভাবিক বলে মনে করেন। তরুণদের চাহিদা পূরণের জন্য নারীদের রীতিমত বাধ্য করা হয়। পুরুষরা আধিপত্য বিস্তার করতে চান। তারা মনে করেন নারীর শরীর নিয়ে তারা যা খুশি করতে পারেন। সেক্সের সাথে রোমান্সের কোন সম্পর্ক নেই বলে মত প্রকাশ করেন অ্যানি।

সূত্র: এবিসি নিউজ