মেইন ম্যেনু

তসলিমা নাসরিনের ভক্ত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। শুধু বলিউড নয় তার খ্যাতি এখন বিশ্বজুড়ে। রয়েছে লাখ লাখ ভক্ত অনুরাগী। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে রয়েছে লাখ লাখ অনুসারী। কিন্তু এই প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিনের একজন বড় ভক্ত।

২৯ জানুয়ারি, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন তসলিমা নাসরিন। পোস্টে তিনি লিখেন, ‘প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার বাবা এক সময় বলেছিলেন, প্রিয়াঙ্কা আমার ছেলে। সাকসেসফুল, কর্মঠ, মানেই ছেলে? আমি রিঅ্যাক্ট করেছিলাম। মেয়েকে নিয়ে কেন বাবাদের গর্ব হয় না? মেয়ে ভালো কাজ করছে, ভালো টাকা উপার্জন করছে… হতে পারে না? আমার রিঅ্যাকশানের রিঅ্যাকশান প্রচুর হয়েছিল। কনভেনশানাল মিসোজেনিস্টরা তো ক্ষেপে বুদ।’

ইদানিং দেখা যাচ্ছে, প্রিয়াংকা বেশ ড্যাম কেয়ার টাইপ কথাবার্তা বলছে। একবার বলল, পুরুষকে বাচ্চা পয়দা করা ছাড়া আর কোনো কাজের জন্য দরকার নেই। আবার বলল, আমার পুরুষ যদি চিট করে আমি ওকে পিটিয়ে লাশ করে দেব। বাপস। এমন কথা তো আমিও এ যাবৎ বলতে পারিনি।

asdcfv

আজ টুইটারে লিখেছি, ফিল্মস্টাররা সাধারণত রক্ষণশীল, কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু প্রিয়াঙ্কার রিসেন্ট স্টেটমেন্টগুলো প্রমাণ করছে ও আলাদা। তারপর আমি যেটা কল্পনাও করিনি, সেটা হলো। প্রিয়াঙ্কা আমাকে টুইট করে ধন্যবাদ জানাল। এও লিখল আমার সাহিত্যের সে বিরাট ফ্যান। হৃদয়ের উষ্ণতাও আমাকে দিল। আমি কল্পনা করিনি, কারণ আমাকে অ্যাপ্রিশিয়েট করা তো সহজ ব্যাপার নয় ভারতীয় উপমহাদেশে।

আমি আপাদমস্তক নিষিদ্ধ একটি নাম। ধর্মের নিন্দা যারা করে, তারা যেমন প্রাগৈতিহাসিক যুগে নিষিদ্ধ হত, এখনো নিষিদ্ধ হয়। এই উপমহাদেশেই হয়। আমাকে সাপোর্ট করলে জনগণের ভোট পাওয়া যায় না, জনগণের আদর পাওয়া যায় না, জনগণের চুম্মা পাওয়া যায় না। তাই রাজনীতিবিদ, সমাজবিদ, সাহিত্যবিদ সবাই একযোগে আমাকে বয়কট করে। প্রিয়াঙ্কার অডিয়েন্সও বিগড়ে যেতে পারে। প্রিয়াঙ্কা সে কথা ভাবেনি। লক্ষ লোককে দেখিয়ে বলে দিল, সে আমাকে ভালোবাসে।’

sdfghj

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি, মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে এক টুইটে তসলিমা নাসিরন লিখেছিলেন, ‘ফিল্মস্টাররা সাধারণত রক্ষণশীল, কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু প্রিয়াঙ্কার রিসেন্ট স্টেটমেন্টগুলো প্রমাণ করছে ও আলাদা। আমি তার প্রশংসা করছি।’

index

তসলিমার এ টুইটের উত্তরে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, তসলিমা নাসরিন। আমি আপনার লেখার অনেক বড় ভক্ত।’

পেশায় একজন ডাক্তার হলেও নারীদের নিয়ে এবং ইসলাম বিরোধী লেখালেখির জন্য বিতর্কিত তসলিমা নাসরিন। ১৯৯৪ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত তিনি। বর্তমানে তিনি ভারতে বসবাস করছেন।