মেইন ম্যেনু

তাদের চেয়ে এগিয়ে লিটন

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চট্টগ্রামে নিজেদের ৯২তম টেস্ট ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। এ টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে স্পেশাল উইকেটরক্ষক হিসেবে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়েছেন পাঁচ ক্রিকেটার।

সর্বশেষ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেক হয়েছে লিটন কুমার দাসের। ফতুল্লায় ভারতের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে এক ইনিংসে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়ে ৪৪ রান করে আলো ছড়ান লিটন। অনুমিতভাবেই দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট স্কোয়াডেও জায়গা করে নেন তিনি।

নিজের ফর্ম ধরে রেখে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন কুমার দাস। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে মুশফিকুর রহিম আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে আসেন তিনি। উইকেট কিপিংয়ের পাশাপাশি, ব্যাটিংয়েও মুশফিকের অভাব পূরণ করেছেন লিটন। ব্যাটিং-এ সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৮২ রানের জুটি গড়েন। যা প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ষষ্ঠ উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি।

ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি পেতে ১০১ বল খেলেন লিটন। ৭ বাউন্ডারিতে ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। আইসিসি টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশের তিন পেসার দক্ষিণ আফ্রিকার ডেইল স্টেইন, মর্নি মরকেল ও ভ্যারন ফিনল্যান্ডারকে বেশ ভালোই সামলেছেন লিটন। যদিও হাফসেঞ্চুরির পর কোনো রান না করেই সাজঘরের পথ ধরতে হয় তাকে। মুশফিকুর রহিমের পর দ্বিতীয় উইকেট রক্ষক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরির ইনিংস এখন তারই দখলে।

এদিকে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে হাফসেঞ্চুরির ইনিংস খেলে উইকেট রক্ষক হিসেবে নিজেকে সবার ওপরে নিয়ে গেছেন লিটন কুমার দাস। মুশফিকুর রহিমকে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি পেতে ষষ্ঠ ইনিংস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ২০০৭ সালে কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮০ রান করেন বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান।

অন্যদিকে খালেদ মাসুদ পাইলট প্রথম হাফসেঞ্চুরির স্বাদ পান ৪১ তম ইনিংসে। ২০০৩ সালে ঢাকায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫১ রান করেন পাইলট। ওদিকে ওপেনার মেহরাব হোসেন অপি ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট খেলেন উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে।

নিয়মিত উইকেটরক্ষক খালেদ মাসুদ পাইলট ইনজুরিতে থাকায় ২০০১ সালে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে উইকেটের পেছনে দাঁড়ান অপি। অবশ্য টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম ইনিংসে প্রথম হাফসেঞ্চুরি পেয়েছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে উইকেট রক্ষক হিসেবে অভিষেক হওয়া মোহাম্মদ সেলিম জাতীয় দলের হয়ে মাত্র ২ টেস্ট খেলেন। তবে চার ইনিংসে ব্যক্তিগত কোনো লক্ষ্যেই পৌঁছতে পারেননি তিনি। দুই টেস্টে চার ইনিংসে তার রান ৪৯।

পাদপ্রদ্বীপের যে আলো জ্বালিয়ে লিটনের আগমণ, দিনদিন সে আলোর উজ্জ্বলতা বাড়বে সেই প্রত্যাশায়ই অগণিত ক্রিকেটপ্রেমি।