মেইন ম্যেনু

তামিমের বাড়ির মালিকসহ ৪জনকে নিয়ে গেছে পুলিশ

নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় অভিযানে গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড তামিমসহ ৩ জন নিহতের ঘটনায় বাড়ির মালিক, তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে পুলিশ। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে তাদের তুলে নিয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযানে তামিম চৌধুরীসহ তিনজন নিহত হয়। অভিযান শেষ হয় সাড়ে ১০টার দিকে। এক ঘণ্টার ‘হিট স্ট্রং ২৭’ অভিযানে অংশ নেয় কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, সোয়াত, র‌্যাব ও পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ার তিনতলার ওই ভবনটি ঘিরে শনিবার ভোরে অভিযান শুরু করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের একটি দল। ওই বাড়ির আশপাশের বাড়ি থেকে লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং বাড়িটি ঘেরাও করে রাখা হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ভবনটির ভেতরে ঢুকতে চাইলে গোলাগুলি শুরু হয়।

গোলাগুলির এক পর্যায়ে গুলশান হামলার মূল পরিকল্পনাকারী কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি তামিম চৌধুরীসহ তিনজন নিহত হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তামিম চৌধুরীকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য এর আগে পুলিশ ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।

সকালে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের একটি দল ঢাকা থেকে গিয়ে পাইকপাড়ার সন্দেহভাজন বাড়িটি ঘিরে এই অভিযান শুরু করে বলে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মাঈনুল হক সাংবাদিকদের জানান।

সন্ত্রাস দমনে গঠিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, জেএমবির এক সদস্যকে গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের এই আস্তানার খোঁজ মেলে।

পাইকপাড়া বড় কবরস্থান এলাকার তিনতলা ওই ভবনের তৃতীয় তলাতেই জঙ্গিরা অবস্থান করছিল। সকালে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে জঙ্গি সদস্যরা তাদের সব ডকুমেন্ট ও আলামত আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের লক্ষ্য করে জঙ্গিরা একের পর এক গুলি ছোড়ে বলেও জানান নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন।