মেইন ম্যেনু

‘তামিমের মাথার সামনে দিয়ে গুলি ঢুকে বের হয়ে যায়’

নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি আস্তানায় শনিবার পুলিশের অভিযানে নিহত তিন জঙ্গিরই মাথায় গুলি লেগেছে। এদের মধ্যে গুলশান হামলার মূল হোতা তামিম চৌধুরীর মাথার সামনের অংশ দিয়ে গুলি ঢুকে পিছন দিক দিয়ে বের হয়ে যায়। তিন জঙ্গির লাশের ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক ডা. সোহেল মাহমুদ আজ রবিবার দুপুর সোয়া একটার দিকে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, প্রত্যেকের মাথায় একটা করে গুলি লেগেছে। তামিম চৌধুরীর পায়ে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। বাকি দুই জঙ্গির শরীরে বোমার স্প্লিন্টারের আঘাত রয়েছে।

তিনি বলেন, জঙ্গিরা মৃত্যুর আগে কোন নেশা জাতীয় মাদক সেবন করেছিল কিনা এই তথ্য জানার জন্য তাদের শরীর থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনার মধ্যে রয়েছে নিহত জঙ্গিদের চুল, রক্ত, ও প্রস্্রাব। ময়না তদন্ত সম্পন্ন করতে প্রায় দুই ঘন্টার সময় লাগে।

তিন সদস্য মেডিকেল বোর্ড এ ময়না তদন্ত সম্পন্ন করেন। বাকিরা হলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস ও প্রভাষক ডা. কবির সোহেল।

এর আগে গুলশানের হলি আর্টিজানে নিহত পাঁচ জঙ্গি ও কল্যাণপুরের নয় জঙ্গির ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছিল ডা. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বেই। তাদের শরীর থেকেও একই ধরনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। তাদের লাশ এখনও মর্গে রয়েছে। তবে গতকাল শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় নিহত তিন জঙ্গির মধ্যে সবার পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার বিকালে তিন জঙ্গির লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন নারায়ণগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক আবদুর রাজ্জাক।

গতকাল শনিবার নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়া এলাকায় অভিযানে এই তিন জঙ্গি নিহত হয়।