মেইন ম্যেনু

তারা জয় বাংলার লোক, আমার চেয়েও বড় আ. লীগ!

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশ থেকে দোকান, রেস্তোরাঁ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, দোকান তুললে গেলে তারা নিজেদের ‘জয় বাংলার লোক’ দাবি করে।

আগামী ৩০ এপ্রিল ১৯তম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানকে এ আহ্বান জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালের নিচের অংশে (ব্লক- এ) বই, ব্যাগ, ফলের দোকান, ওষুধের দোকান এমনকি খাবার হোটেল পর্যন্ত রয়েছে। ওই জায়গাগুলো ভাড়া দেয়ার দরকার কী? শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এসবের দরকার নাই। আপনারা শুধু দোকানদারদের সঙ্গে লিজ ক্যানসেল করুন, আর কিছু করতে হবে না। আমি ওদের উচ্ছেদ করে দেব।’

বিএসএমএমইউ-এর শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘সমস্ত দোকানপাট হাসপাতালগুলোর গেটে এসেই বসে। ফলের দোকান থেকে শুরু করে গামছা-শাড়ি-লুঙ্গি সব পাওয়া যায়। সেখানে জ্বরের ওষুধ পর্যন্ত পাওয়া যায়। দোকানের কারণে হাসপাতালের চেহারাই পাল্টে যায়। একটি হাসপাতালের পরিচালক কিংবা ডাক্তারদের জন্যও তো এটি লজ্জার বিষয়, রুচিবোধের বিষয়। এসব দোকান তুলে দিতে গেলে তারা বলে, আমরা আওয়ামী লীগের লোক, জয় বাংলার লোক। তারা তো আমার থেকেও বড় আওয়ামী লীগ!’

বিএসএমএমইউ-এর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে নাসিম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়টি যে পরিসরে গড়ে তোলা হয়েছে তা যথেষ্ট নয়। জায়গার সংকটের কারণে বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা থাকার কারণে এখানে বেশকিছু স্থাপনার কাজ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এর সম্প্রসারণে আরো কার্যক্রম শুরু হবে।’

সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিব এ মিল্লাত বলেন, ‘একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি গবেষণা কাজ করতে হয়। আর এজন্য প্রচুর ফান্ডের প্রয়োজন। এ ছাড়া প্রশিক্ষণের সুযোগও বৃদ্ধি করতে হবে। বিএসএমএমইউকে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত করতে হবে, যাতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এটিকে দেখে শিক্ষা নেয়।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসএমএমইউ এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান।

এ সময় আরা উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালিক, ডা. মোস্তফা কামাল মহিউদ্দিন, ডা. আলী আজগর মোড়ল, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুঁঞা, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এম. ইকবাল আর্সেনাল, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব এম এ আজিজসহ বিএসএমএমইউ-এর শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।