মেইন ম্যেনু

তারেককে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ‘কটূক্তি’ : ছাত্রদলের বিক্ষোভ

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করা ‘কটূক্তি ও মিথ্যা অপপ্রচার’র প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

রোববার (১৯ জুন) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসানের নেতৃত্বে এ মিছিল হয়।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন- ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, নাজমুল হাসান, মামুন বিল্লাহ, ইখতিয়ার রহমান কবির; প্রথম যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, মিজানুর রহমান সোহাগ, করিম সরকার, মির্জা ইয়াছিন আলী, মেহবুব মাসুম শান্ত, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, মামুন হোসেন ভুইয়া; সহ-সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন তুষার, আরিফা সুলতানা রুমা; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমির আমজাদ মুন্না, আশরাফ ফারুকী হীরা, নাদিয়া পাঠান পাপন; সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়া, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ, বৃত্তি ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুছাব্বির শাফি, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মামুন খানসহ দেড় শতাধিক নেতাকর্মী।

এদিকে, একই ঘটনার প্রতিবাদে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর পূর্ব ও দক্ষিণ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মহানগর পূর্বের মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি জয়দেব জয়, পূর্বের সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মানিকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।

এছাড়া দক্ষিণের মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার প্রমুখ নেতাকর্মী।

অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের মিছিলে সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, সাধারণ সম্পাদক আসিফুর রহমান বিপ্লবসহ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তারেক রহমানের বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘লন্ডনে এক কুলাঙ্গার বসে আছে। সেখান থেকে সে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। তাকে আদর দিয়ে ব্রিটিশ সরকার বসিয়ে রেখেছে। ব্রিটিশ সরকার কেন তাকে আশ্রয় দিয়েছে জানি না। সে ওখানে যাওয়ার পর টিউলিপ হুমকি পাচ্ছে। ব্রিটিশ সরকারের দায়িত্ব এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।’