মেইন ম্যেনু

তিন আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

জঙ্গি সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডের এক সংগঠককে অর্থ দেওয়ার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তিন আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে বাঁশখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন এ আদেশ দেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং প্রাক্তন হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও তার সহযোগী অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপন এবং অ্যাডভোকেট হাসানুজ্জামান লিটন।

বাঁশখালী আদালতের সরকারি কৌঁসুলি বিকাশ রঞ্জন ধর জানান, চার দিনের রিমান্ড শেষে তিন আইনজীবীকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাঁশখারীর আদালতে আনা হয়। এর পর সকাল সোয়া ১১টার দিকে প্রথম স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন অ্যাডভোকেট হাসানুজ্জামান লিটন।

এর পর একের পর এক স্বীকারোক্তি দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং প্রাক্তন হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও তার সহযোগী অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপন।

রিমান্ড শেষে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হামজা ব্রিগেডকে ১ কোটি ৮ লাখ টাকা দেওয়ার সত্যতা তিন আইনজীবীই স্বীকার করেছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তিন আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে এই তিন আইনজীবীকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭। পরদিন সন্ধ্যায় তাদের বাঁশখালীর আদালতে তাদের হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

গত বুধবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব দাবি করে, ‘শহীদ হামজা ব্রিগেড’ নামের চট্টগ্রামভিত্তিক নতুন জঙ্গি সংগঠনের জন্য সংগৃহীত ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭০ হাজার টাকার মধ্যে গ্রেফতার তিন আইনজীবী ১ কোটি ৮ লাখ টাকা দিয়েছেন। এর মধ্যে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা দুই দফায় ২৫ লাখ ও ২৭ লাখ করে মোট ৫২ লাখ টাকা, মো. হাসানুজ্জামান লিটন ৩১ লাখ টাকা এবং মাহফুজ চৌধুরী ২৫ লাখ টাকা দিয়েছেন।