মেইন ম্যেনু

তুলসি এবং মধুর মিশ্রণের ৭ স্বাস্থ্য উপকারিতা

ঠান্ডা, কাশি অথবা সর্দি হলে তুলসির রস অথবা মধু খাওয়া প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। তুলসি এবং মধুর আলাদা আলাদা স্বাস্থ্যগুণ থাকলেও এই দুটির সংমিশ্রণ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি। তুলসি পাতার রস এবং মধু দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। চার-পাঁচটি তুলসি পাতা ভাল করে ধুয়ে এক কাপ পানিতে মিশিয়ে নিন। এরসাথে এক টেবিল চামচ মধু মেশান। এবার এটি পান করুন। প্রতিদিন সকালে নাস্তা খাওয়ার আগে এটি পান করুন আর পেয়ে যান অনেকগুলো স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

তুলসি এবং মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এর ভিটামিন এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান দেহে পুষ্টি যুগিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।

২। ঠান্ডা দূর করতে

তুলসি ঠান্ডা দূর করতে বেশ কার্যকর, এটি কম বেশি সবাই জানি। তুলসি মধুর সাথে মিশে বিভিন্ন ইনফেকশন থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

৩। অ্যালার্জি দূর করতে

তুলসি এবং মধুর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বকের অ্যালার্জি দূর করতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় নিয়মিত পানে এটি শরীরে ভিতরে আল্যার্জি প্রতিরোধক তৈরি করে।

৪। বয়স ধরে রাখে

বয়স ধরে রাখতে কে না চায়, বলুন? তুলসি এবং মধুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন বয়স বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়। ত্বকে বলিরেখা পড়া রোধ করে।

৫। শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা

ঠান্ডা লাগলে তুলসী পাতার ব্যবহার আশীর্বাদের মতো কাজ করে। সর্দি, কফের সমস্যা এবং সাইনোসাইটিসের সমস্যায় যারা রয়েছেন তারা নিয়মিত তুলসি চা পান করলে শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন দ্রুত।

৬। হার্ট সুস্থ রাখতে

মধু এবং তুলসির মিশ্রণ খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে শরীরে রক্ত চলাচল সচল রাখে। এটি হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি কমায় এবং হার্ট সুস্থ রাখে।

৭। মানসিক চাপ দূর করে

খুব বেশি মানসিক চাপের মধ্যে সময় কাটালে প্রতিদিন তুলসি চা খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। কারণ তুলসি চায়ের মতো অ্যারোমেটিক বেভারেজ মানসিক চাপ দূর করতে বিশেষভাবে সহায়ক।