মেইন ম্যেনু

ত্বকের যত্নে গোসল ছাড়া ১২ বছর!

‘যারা রোজ গোসল করেন তাদের উপর কি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে? তাহলে কে বলে রোজ স্নান করা ভালো অভ্যাস?’- ১২ বছর গোসল না করার পরে এমন প্রশ্ন তার। তিনি একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনায়ার। অবিশ্বাস্য হলেও এক যুগ ধরে গোসল করেন না ডেভিড হুইটলক।

ত্বকের যত্ন নিতে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা কি? প্রতিদিন গোসলের সময় ব্যবহৃত অ্যান্টিব্যক্টোরিয়াল প্রোডাক্ট কি ভুলিয়ে দিচ্ছে ব্যাকটেরিয়ার উপকার? চলছে গবেষণা। আর গবেষণা হাতে কলমে করতে নিজেই ১২ বছর গোসল করেননি ডেভিড।

তিনি চাকরি করেন ‘এওবিওমে’ নামের সংস্থায়। মাটিতে থাকা ব্যাক্টিরিয়ারা কিভাবে দুর্গন্ধ দূর করতে পারে, কীভাবে তারা ত্বকের জন্য উপকারী হয়ে উঠতে পারে, সে বিষয়েই গবেষণা করছে এই সংস্থাটি। এই গবেষণার উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পণ্য তৈরি করছেন তারা। এই সংস্থার মতে, মানুষের ত্বকে কিছু ব্যাকটেরিয়া স্বাভাবিকভাবে বাস করে, যেগুলো ত্বকের উপকারই করে। যদিও অ্যান্টিব্যাকটোরিয়াল বিভিন্ন ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করে সেগুলোকে প্রতিদিন মেরে ফেলি আমরা।

গোসলের সময় ব্যবহৃত সাবান বা লোশনেই সাধারণত এটা হয়ে থাকে। তারা তাই গোসলের ধারনাটাই বদলে ফেলতে চাইছেন৷ শুধু তাদের প্রোডাক্ট বিক্রিই নয়, যে কোনও অ্যান্টিব্যাকটোরিয়াল ব্যবহার যে ত্বকের জন্য ভালো নয়, সে কথাই উঠে এসেছে তাদের গবেষণায়।

এই গবেষণার টিমের সঙ্গেই যুক্ত ডেভিড। নানারকমের রাসায়নিক প্রোডাক্টের হাত থেকে বাঁচতে তিনি গোসল করাই ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এতে কি তার শারীরিক সমস্যা হচ্ছে না? এর উত্তরেই তিনি বলেন, ‘যারা রোজ গোসল করে তাদের কি ডাক্তারি পরীক্ষা করে দেখা হয়?’

তার অফিসেও অবশ্য এ নিয়ে কারও আপত্তি নেই। যেহেতু ডেভিডের শরীর থেকে সত্যি সত্যিই কোনও দুর্গন্ধ বেরচ্ছে না। তবে কতদিন এভাবে গোসল না করে কাটাবেন তিনি? হুইটলক জানাচ্ছেন, কোম্পানির গবেষণা পুরো হয়ে এই সত্যি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া অবধি তিনি গোসল ছাড়াই থাকবেন।