মেইন ম্যেনু

থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়ার আট লক্ষণ

থাইরয়েড গ্রন্থির প্রধান কাজই হলো থাইরয়েড হরমোন তৈরি করা। শরীরে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে একে হাইপোথাইরয়েডিজম বলে।

অবসন্নতা, দুর্বলতা, চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি থাইরয়েড হরমোন ঘাটতির লক্ষণ। জীবনধারাবিষয়ক ভারতীয় ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই-এর স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে এর কিছু লক্ষণের কথা।

অবসন্নতা ও দুর্বলতাঃ

শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে দুর্বল ও অবসন্ন লাগে। যাঁরা এ সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা একটু কাজ করার পরই ক্লান্তবোধ করেন। ঘুমানোর পরও শক্তি পান না শরীরে।

ওজন বেড়ে যাওয়াঃ

ওজন বেড়ে যাওয়া বা বাড়তি ওজন কমতে না চাওয়া শরীরে থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়ার উপসর্গ। যাঁদের এ সমস্যা থাকে, তাঁদের কম ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরও ওজন বেড়ে যায়। আর ওজন কমাতেও কঠিন হয়।

ঋতুচক্রের অস্বাভাবিকতাঃ

থাইরয়েড গ্রন্থি ভালোভাবে হরমোন উৎপন্ন করতে না পারলে এর প্রভাব ঋতুস্রাবের ওপরও পড়ে। এতে অনিয়মিত ঋতুস্রাবের সমস্যা দেখা দেয়।

চুল পড়ে যাওয়া বা শুষ্ক চুলঃ

চুল পড়ে যাওয়াও থাইরয়েড হরমোন ঘাটতির আরেকটি লক্ষণ। এ সময় শরীরে হরমোনের পরিবর্তন হয়। এতে চুল পড়া এবং শুষ্ক সমস্যা হয়।

পেশি ব্যথা ও অবসন্ন ভাবঃ

শরীরে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে পেশিব্যথা ও অবসন্নতা সৃষ্টি হয়। থাইরয়েড হরমোন পর্যাপ্ত পরিমাণ উৎপন্ন করতে না পারলে পেশিগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে।

কোষ্ঠকাঠিন্যঃ

কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার একটি বড় কারণ হলো শরীরে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি। থাইরয়েড হরমোনের অভাবে হজম ক্ষমতা ব্যাহত হয়। এতে খাবার ভালোভাবে হজম হয় না।

বিষণ্ণতাঃ

বিষণ্ণতাও আরেকটি উপসর্গ শরীরে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হওয়ার। এ ছাড়া বিরক্তি ভাব এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যাও হয় এ সময়।

ম্লান ত্বকঃ

থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে ঘামের পরিমাণ কমে যায়। এতে ত্বক শুষ্ক ও ম্লান হয়ে পড়ে।.