মেইন ম্যেনু

মিয়ানমার থেকে ১৭ জুন আসবেন ৩৭ জন

থাইল্যান্ড থেকে ফিরেছেন ৪৭ বাংলাদেশী

থাইল্যান্ড থেকে মানবপাচারের শিকার ৪৭ বাংলাদেশী সোমবার রাতে ঢাকায় ফিরেছেন।বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০৮৯ নম্বর ফ্লাইটে তারা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সোমবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া মানবপাচারের শিকার ৩৭ বাংলাদেশী ১৭ জুন মিয়ানমার থেকে ঢাকা ফিরবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, থাইল্যান্ডের কারাগার থেকে (সেফ কাস্টডি) সোমবার রাতে ৪৭ বাংলাদেশি ঢাকায় ফিরেছেন। এই ৪৭ জন সম্প্রতি মানবপাচার হওয়াদের মধ্যে কেউ নন। তারা অনেক আগেই মানবপাচারের শিকার হন। আন্দামান সাগর পারি দিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে থাইল্যান্ডের পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। পরে তাদেরকে বাংলাদেশী হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০৮৯ নম্বর ফ্লাইটে ওই ৪৭ জন সোমবার রাতে ঢাকায় পৌছেন। তাদের মধ্যে যশোরের ১০জন, সিরাজগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের ৯ জন করে, ঝিনাইদহের ৬, ময়মনসিংহ, নরসিংদী, মেহেরপুর ও কক্সবাজারের ২ জন করে এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও বগুড়ার একজন করে বাসিন্দা রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলছে, সম্প্রতি মানবপাচারের শিকার ৩৭ বাংলাদেশী ১৭ জুন মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরবেন। মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় মানবপাচারের শিকার প্রায় এক হাজার ১০০ বাংলাদেশীকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমারে প্রায় ২০০ জন, থাইল্যান্ডে ১৩৮ জন, মালয়েশিয়ায় ২২ জন এবং ইন্দোনেশিয়ায় দুই ধাপে প্রায় ৭০০ জন বাংলাদেশীকে শনাক্ত করেছে সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ মিশন।

এর আগে, ৮ জুন মিয়ানমার সীমান্ত উপকূলে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ১৫০ বাংলাদেশী অভিবাসীকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ১২ জুন অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে উদ্ধার হওয়া ১৮ বাংলাদেশীকেও দেশে ফেরত আনা হয়।

পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বলেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৫ দিনে পাচারের শিকার প্রায় সাত হাজারের মতো মানুষ সাগর থেকে তীরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩ শতাংশ বাংলাদেশী হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। সংখ্যায় এর পরিমাণ প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ এর মতো। মূলত মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড— এই তিনটি দেশেই পাচারের শিকার হচ্ছেন বেশিরভাগ মানুষ।



« (পূর্বের সংবাদ)