মেইন ম্যেনু

থানছিতে চলছে যৌথবাহিনীর অভিযান

বান্দরবানের থানছিতে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী ‘আরাকান লিবারেশন পার্টির (এএলপি) তথা আরাকান আর্মির সদস্যদের ধরতে যৌথ অভিযান চালাচ্ছে সেনা ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।

বৃহস্পতিবাব সকাল থেকেই থানচির বড় মদকের নাচালং পাড়া এলাকায় শুরু হয়েছে অভিযান। যৌথবাহিনী সম্ভাব্য পুরো এলাকা ঘেরাও করে এ অভিযান শুরু করে।

বিকেলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো সন্ত্রাসীকে আটক করতে পারেনি যৌথবাহিনীর অপারেশন টিমের সদস্যরা।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও বিজিবির মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আজিজ আহমদ হেলিকপ্টারে করে থানছি বড় মদকে আসেন। তারা ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছন। এরপর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বড় মদক ত্যাগ করেন।

এদিকে, বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে আরাকান আর্মির বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় বিজিবির দুই সদস্য আহত হওয়ার পর থেকে বড় মদক এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

বিকেলে বান্দরবান, বলিপাড়া, রুমা ও আলীকদম জোন থেকে দুটি হেলিকপ্টারে আসা সেনা ও বিজিবি সদস্যরা বড়মদক এলাকায় অবস্থান নেয়। বিকেলে পুরো এলাকায় তারা সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। তবে বর্ষার বৃষ্টি আর রাতের অন্ধকারে গহীন অরণ্যে অভিযান কিছুটা ব্যাহত হয়। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নতুন করে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হয়।

এদিকে, বুধবার আরাকান আর্মির সঙ্গে বিজিবির বন্দুকযুদ্ধের পর থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত বড় মদক এলাকায় দোকানপাট বন্ধ দেখা গেছে। ভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছে না স্থানীয় বাসিন্দারা।

উল্লেখ্য, ২৬ আগস্ট মিয়ানমারের আরাকান আর্মির সদস্যরা গুলি চালিয়ে বিজিবির দুই সদস্যকে আহত করে। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে বিজিবি ও আরাকান আর্মির মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ চলে। এক পর্যায়ে পিছু হটে সন্ত্রাসীরা। পরে আহত নায়েক জাকির হোসেন ও সিপাহী আব্দুল গনিকে বড় মদক ক্যাম্পে চিকিৎসা দেয়া হয়। এর মধ্যে জাকিরকে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়। রাতে সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ বাহিনীর অভিযান স্থগিত রাখা হয়।