মেইন ম্যেনু

থানায় হিন্দু মুসলিম প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা

ভারতে রাঁচির এক থানায় মুসলিম পুরুষ ও হিন্দু নারীর এক যুগল বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছে।

এই ঘটনার পর দুটো পরিবার থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

এরপর কর্তৃপক্ষ তিনজন পুলিশকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে।

রাঁচির পুলিশ কর্মকর্তা কিশোর কৌশাল বলেছেন, এই যুগল ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডা এলাকার।

গতরাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো।

তারপর তাদেরকে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদেরকে সেখানেই রাখা হয়েছিলো।

আজ মঙ্গলবার সকালে তাদেরকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তার আগেই তারা দু’জনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে।

কিন্তু থানায় এই প্রেমিক যুগলের কাছে এই বিষ কোত্থেকে এসেছে পুলিশ সেবিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি। তবে পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

ওই মাহাগামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেণু গুপ্তা জানিয়েছেন, পুরুষের নাম জাফর আলম আর মেয়েটির নাম পূজা কুমারী। তারা ছিলেন প্রতিবেশী।

দুটো পরিবারই ছিলো খুব দরিদ্র।

গত জানুয়ারি মাসে এই যুগল এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলো।

পুলিশ বলছে, কুমারীর মা থানায় তার নিখোঁজ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

ঝাড়খণ্ডে বিরোধী নেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হেমান্ত সরেন এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

বিধানসভায় তিনি বলেছেন, ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর।

রাজ্য কংগ্রেসের প্রধান সুখদেব ভাগাতও পুলিশের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ এনেছেন।

ঊর্ধ্বতন আরকজন পুলিশ কর্মকর্তা কুলদীপ দিভেদি স্বীকার করেছেন যে পুলিশের দিক থেকে ঘাটতি ছিলো। আর সেকারণে তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ঘটনাটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। এখন একদল চিকিৎসক দুটো মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করবেন।

বিবিসি