মেইন ম্যেনু

দক্ষিণ এশিয়ার ‘প্রিন্স’ থেকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘নায়ক’

সাঈদ খান। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। এখন দক্ষিণ এশিয়ার প্রিন্স তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার মডেলদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক শহরে অনুষ্ঠিত সকল প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে তিনি হয়েছেন ‘প্রিন্স’। এখন তাঁকে দেখা যাবে ঢাকাই চলচ্চিত্রে। সাঈদ খানকে নিয়ে লিখেছেন মাহতাব হোসেন

কাজ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী সোহা আলি খান, নেহা ধুপিয়া, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সাথে। কিন্তু দেশের শোবিজ অঙ্গনেপদচারণা ছিল না তাঁর। তবে ইচ্ছে ছিল না যে তা নয়, শুধু ব্যাটে বলে হচ্ছিল না। গত বছর ফেসবুকে পরিচয় হয় দেশের গুণী নির্মাতা নারগিস আক্তারের সাথে। এই নির্মাতা লক্ষ্য রাখছিলেন ছেলের কাছের দিকে, কর্মকাণ্ডের দিকে। একদিন হয়তো ঠিকই বুঝে নিলেন এই ছেলেকে দিয়েই তাঁর পরের ছবির কাজ সম্ভব। যেমন আর্টিস্ট দরকার তেমনটাই হয়তো সাঈদের ভেতর খুঁজে পাচ্ছিলেন।

ফেসবুকেই কথা হলো নারগিস আক্তারের সাথে সাঈদ খানের। নারগিস আক্তার তাঁকে চলচ্চিত্রে কাজ করার অফার দিলেন, দেশে এসে দেখা করতে বললেন যদি ফিল্মে কাজ করার আগ্রহ থাকে।

image_276456_0.12077260_10153601497487381_888713580_n

সাঈদ বলেন, ‘নারগিস আপার মতো এত বড় মাপের একজন নির্মাতা আমাকে যখন ফিল্মে কাজ করার অফার দিলেন, আমি বিশ্বাসই হয় নি। আমি অবাক হয়ে মনে করছিলাম যে এই ফেসবুক আইডি ফেইক।’
দক্ষিণ এশিয়ার ‘প্রিন্স’ থেকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘নায়ক’

না, সেটা আইডি ফেইক ছিল না। এখন সাঈদ খান নারগিস আক্তারের দুইটি ছবিতে কাজ করতে যাচ্ছেন। এগুলো হচ্ছে- ‘ফাঁস’ ও ‘যৌবতী কন্যার মন’। ছবি দুটিতেই অভিনয় করবেন নতুন মুখ সাঈদ খান। ‘যৌবতী কন্যার মন’ সেলিম আল দীনের নাটক। আর এটাকে চলচ্চিত্রে রূপদান করছেন নারগিস আক্তার।

সাঈদ খান বলেন, ‘যৌবতী কন্যার মন’ চলচ্চিত্রে আমাকে একজন ভিন্নধর্মী চরিত্রে দেখা যাবে। মূলত নায়ক বলতে আমাদের চোখের সামনে প্রথমেই ভেসে ওঠে গ্ল্যামার। কিন্তু এই ছবিতে আমাকে গ্ল্যামার নয় অভিনয়ে অগ্রগামী হতে হবে। অভিনয় দিয়েই অভিনেতা হয়ে উঠতে হবে। আমার বিশ্বাস আছে, আমি পারবো। একজন ব্রাহ্মণের ছেলের চরিত্রে প্রবেশ করতে হবে। পরিচালকও জানান, সাঈদ পারবে। সাঈদ আন্তর্জাতিক মানের মডেল। নিউজউইকের মতো বড় ফ্যাশন শোতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ওর।

ছবি দুইটিতে কাজ করার জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কিছুদিন আগে ভারতের জয়পুরে গিয়ে চুল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন অপেক্ষার পালা। এমনটাই জানালেন সাঈদ খান। তিনি বলেন, এখন বিশ্বের দরবারে ভালো মানের বাংলা চলচ্চিত্র প্রেজেন্ট করাই আমার লক্ষ্য।