মেইন ম্যেনু

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৩০ গ্রামে আজ পালিত হচ্ছে ঈদুল আযহা

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৭টি উপজেলার ৩০টি গ্রামে মঙ্গলবার পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশে প্রচলিত নিয়মের একদিন আগেই এসব গ্রামের প্রায় দুই হাজারেও বেশি পরিবার বৃহ¯পতিবার পশু কোরবানী দিয়েছেন। দক্ষিণ উদযাপনকারীদের বেশির ভাগই চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার সিলসিলিয়া আলীয়া জাহাগীর (রঃ) দরবার শরীফের পীরের অনুসারী।

বৃস্হপতিবার সকাল ৯টায় মির্জারখীল দরবার শরীফের মাঠে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন ওইসব এলাকার মানুষেরা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামে বৃহ¯পতিবার সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সাতকানিয়ার মীর্জারখীল জাহাগীর পীরের দরবার শরীফে। সেখানে সকাল ৯টার দিকে আশপাশের গ্রামের লোকজন ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

এরপর ঈদের বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে আনোয়ারার সরকার হাট এলাকার হযরত লতিফ শাহ’র মাজারসংলগ্ন তৈলারদ্বীপ মসজিদ মাঠে। তারা আরো জানান, প্রায় দশ বছর আগে পীরসাহেব তার মুরিদদের নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌদি আরবে যেদিন চাঁদ দেখা যাবে পরদিন থেকেই বিশ্বের সবখানে রোজা পালন শুরু হবে। একই নিয়মে ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহাও পালন করতে হবে।

এরপর থেকেই চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মির্জারখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা সৌদি আরবের রীতি অনুসারে রোজা ও দুটি ঈদ পালন চলে আসছে। চন্দনাইশের কাঞ্চননগর গ্রামের মো. মোবারক হোসেন বলেন,”দরবার শরীফের পীর সাহেবের নির্দেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়ে কোরবানি দিয়েছি।”

দক্ষিণ চট্টগ্রামে যেসব গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে সেগুলো হলো- সাতকানিয়া উপজেলার মীর্জারখীল, চরতি, সুঁইপুর, ঘাসিয়াডাঙ্গা, কেরানীহাট, পটিয়া উপজেলার কালারপোল, হাইদগাঁও, মলপাড়া, বাহুলী, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, গাছবাড়িয়া, হারালা, বাইনজুড়ী, কানাইমাদারি, ঢেমশা, আনোয়ারার তৈলার দ্বীপ, বুরুমছড়া, বারখাইন, সরকারহাট, গহিরা, বারশত, বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ, খরণদ্বীপ, পূর্ব গোমদন্ডী, পশ্চিম কধুরখীল। এছাড়া দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর, চাম্বল, শেখেরখীল, পুঁইয়াছড়া ও ডোমার এবং লোহাগাড়ার ধর্মপুর ও কলাউজান গ্রামে ঈদ পালিত হচ্ছে।