মেইন ম্যেনু

দরজা খুলে সেলফি তুলতে গিয়েই বিধ্বস্ত হয় কপ্টার

মধ্য আকাশে দরজা খুলে ভিডিও এবং সেলফি তুলতে গিয়েই কপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় আহত পাইলট শফিকুল ইসলামের বরাত দিয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের এমন কথাই জানালেন। তিনি বলেন, পাইলটের কথা অমান্য করে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তি শাহ আলম এমন কাজটি করেন। শেষ পর্যন্ত পাইলট কপ্টারের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারেননি।

ওসি জানান, হেলিকপ্টার সাকিব আল হাসানকে ইনানিতে নামিয়ে দিয়েই ফেরার পথে নিহত শাহ আলমসহ অন্যরা হেলিকপ্টারের দরজা খুলে ছবি তোলার পাশাপাশি ভিডিও মশগুল হয়ে পড়ে। এসময় পাইলট ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারায় বিধ্বস্ত হয় হেলিকপ্টারটি।

এদিকে উখিয়া সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল মালেক মিয়া জানান, বর্তমানে উখিয়া থানা পুলিশের হেফাজতে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি রয়েছে। মেঘনা অ্যাভিয়েশনের লোকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা সকালে কপ্টারটি বুঝে নিতে পারেন।

এ ব্যাপারে কথা বলতে মেঘনা অ্যাভিয়েশনে কর্তৃপক্ষে অফিসে যোগাযোগ করা হলে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে ইনানি নামিয়ে দিয়েই ফেরার পথে জেলার উখিয়ার রেজু খালের মোহনায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। এতে শাহা আলম (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বিজ্ঞাপনী সংস্থা ঈগলের কর্মকর্তা ছিলেন বলে জানা গেছে। এ দুর্ঘটনায় পাইলটসহ আরো ৪ জন আহত হয়েছে।