মেইন ম্যেনু

দর্শক মাতাতে ঢাকায় শ্রেয়া ঘোষাল

বাংলাদেশি শ্রোতাদের গানের সুরে ভাসাতে ‘শ্রেয়া ঘোষাল নাইট’ শিরোনামে একটি সংগীত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন ওপার বাংলার কণ্ঠশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল।

শুক্রবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে শ্রেয়া একটি ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজক বে এন্টারটেইনমেন্ট জানিয়েছে, আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার পর মঞ্চে উঠবেন শ্রেয়া ঘোষাল। টানা তিন ঘণ্টারও বেশি সময় মঞ্চে গান পরিবেশন করবেন তিনি। অনুষ্ঠান শুরুর আগে এ তারকা শিল্পী সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে পারেন বলেও জানিয়েছে আয়োজকরা।

বে এন্টারটেইনমেন্টের পরিচালক কামরুন নাহার জানান, ‘দীর্ঘ পাঁচ বছর পর শ্রেয়া ঘোষাল ঢাকায় এসেছেন। বাংলাদেশি শ্রোতারা আবার তার সুরে মেতে ‍উঠবে।’

বে এন্টারটেইনমেন্টের পাবলিক রিলেশন অফিসার আফরিদ হাসান জানান, ‘শ্রেয়া ঘোষাল নাইট’ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এরই মধ্যে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে যন্ত্রশিল্পীদের একটি দল। সর্বশেষ বছর পাঁচেক আগে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি। দীর্ঘ সময় বাদে আবারো শ্রেয়া ঘোষাল শ্রোতাদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে তার সুরের যাদু ছড়াবেন।’

শ্রেয়া-ঘোষালভারতের জিটিভির ‘সা রে গা মা পা’ সংগীত প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে গানের জগতে পা রাখেন শ্রেয়া। ২০০২ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘দেবদাস’ ছবিতে প্লেব্যাকের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের গানে অভিষেক ঘটে তার। এই চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের মধ্য দিয়ে বলিউডে নিজের অবস্থান করে নেন তিনি। এরইমধ্যে সেরা নারী সংগীতশিল্পী হিসেবে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, আর ডি বর্মণ পুরস্কারসহ বেশ কয়েকটি পুরস্কার পেয়েছেন শ্রেয়া।

১৯৮৪ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বহরামপুরের বাঙালি পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন শ্রেয়া ঘোষাল। ত্রিশ বছর বয়সী এই গায়িকা এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দীর্ঘদিনের বন্ধু শিলাদিত্যর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। শ্রেয়া ঘোষালের পূর্বপুরুষ বাংলাদেশের ঢাকার বিক্রমপুরের অধিবাসী। শ্রেয়ার দাদু সুধীর চন্দ্র ঘোষাল ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের আগেই কলকাতা চলে যান। শ্রেয়ার বাবা বিশ্বজিৎ ঘোষালের জন্ম সেখানেই। তবে বিক্রমপুরে এখনো শ্রেয়াদের অনেক স্বজন রয়েছে।