মেইন ম্যেনু

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৬

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার জালালপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মোস্তাক আহমদ পলাশের স্ত্রী-ছেলেসহ ৬ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী হানিফ পরিবহনের বাসটি (ঢাকা মেট্রো ট- ১৪-৮৩১৯) পেছন দিক থেকে ট্রাকটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মোস্তাক আহমদ পলাশের ৮ মাসের আন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মোরশেদা বেগম (৪০), ছেলে মেহেদী (৪), জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্টের সৈনিক আবু সালেহ হাওলাদার, হানিফ পরিবহনের সুপারভাইজার মহসিন ওরফে টিপু (৪০), হেলপার তরিকুল ও নোভার্টিস ফার্মাসিউটিক্যালসের বিক্রয় প্রতিনিধি আরিফ আজাদ।

নিহতের মধ্যে টিপু, তরিকুল ও আরিফ ঘটনাস্থলে মারা যান। এছাড়াও মোরশেদা ও আবু সালেহ সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতে নিয়ে আসার পর মারা গেছেন। নিহত মেহেদী মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেয়ার পর মারা গেছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন-আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাক আহমদ পলাশ, তার ছেলে মোনায়েম ও কন্যা মীম, যাত্রী তপন (১০) ও নূর হোসেন (৪০)। তাদেরকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

স্থানীয় ও হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রাম সংলগ্ন রাস্তায় শুক্রবার সাড়ে ৯টায় রাস্তায় দাঁড় করানো ইট বোঝাই ট্রাকের একটি সাথে বেপরোয়া গতির সিলেট অভিমুখী হানিফ পরিবহনের বাসের ধাক্কা লাগে। এতে যাত্রীবাহী বাসটি দ্বিখন্ডিত হয়ে যায়। এতে তিন বাসের সুপারভাইজার ও হেলপারসহ তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এর মধ্যে আরো অতন্ত ২০ জন।

এ ঘটনার পর মহাসড়কে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় যাচলাচল বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুন্নবী সরকার।

তিনি আরো জানান, এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে নিহত তিন জনকে রাত ১১টার দিকে তারা হাইওয়ে থানায় নিয়ে আসেন। এর মধ্যে মহসিন ওরফে টিপু নামের হানিফ পরিবহনের সুপারভাইজার ও হেলপার তরিকুলের পরিচয় পাওয়া গেছে। টিপুর বাড়ি লক্ষীপুর আর তরিকুলের বাড়ি বাগেরহাট জেলায়।

এ ঘটনায় মোট ৬ যাত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওসি নূরুন্নবী।