মেইন ম্যেনু

দাফন হলো আলবদর কমান্ডার মুজাহিদের

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় আইডিয়াল ক্যাডেট মাদ্রাসা গেটের পাশে পারিবারিক জমিতে রোববার সকাল সোয়া ৭টায় তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে রোববার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তায় তার নামাজে জানাজা হয়। নিরাপত্তার খাতিরে করস্থানের আশপাশে যেতে দেওয়া হয়নি গণমাধ্যমকর্মীদের। করবস্থান থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে ছিলেন সংবাদকর্মীরা।

জানাজার নামাজ পড়ান তার বড় ভাই আলী আফজাল মোহাম্মদ খালেফ। নিরাপত্তার কারণে নিকটাত্মীয় ছাড়া জানাজার নামাজে শরিক হতে পারেননি স্থানীয়রা।

রোববার সকাল সাড়ে ৬টায় মুজাহিদের লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ফরিদপুরে পৌঁছায়।

শনিবার রাতেই মুজাহিদের খাবাসপুরের বাড়ি ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনি তৈরি করে স্থানীয় প্রশাসন। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জানাজার নামাজ ও দাফনের সময়ও সে অবস্থা বজায় রাখা হয়।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে মুজাহিদের লাশ নিয়ে রওনা হয় অ্যাম্বুলেন্স।

নিরাপদে মুজাহিদের লাশ পৌঁছে দেওয়ার নেতৃত্ব দিয়েছে র‌্যাব-৩। তাদের তত্ত্বাবধানে পুলিশের দুটি ও র‌্যাবের দুটি গাড়ি মুজাহিদের লাশ পাহারা দিয়ে নিয়ে যায়।

এর আগে আমাদের মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে পদ্মা পার হয় মুজাহিদের লাশবাহী গাড়ি ফরিদপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে।

রাত ৪টা ৩৫ মিনিটের দিকে মানিকগঞ্জ শহর পার হয় মুজাহিদের লাশবাহী গাড়ি।

আমাদের সাভার প্রতিনিধি জানান, রাত পৌনে ৪টার দিকে সাভার অতিক্রম করে মুজাহিদের লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স। মানিকগঞ্জ হয়ে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে পৌঁছায়। ফেরিঘাটে প্রস্তুত রাখা হয় একটি ফেরি। ফেরিযোগে পদ্মা নদী পার হয়ে দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে রাজবাড়ির মোড় হয়ে ফরিদপুরে পৌঁছায় মুজাহিদের মরদেহবাহী গাড়িবহর।

শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।