মেইন ম্যেনু

দাড়ি রাখছেন? জেনে নিন এর যত্ন নেওয়ার ৬ উপায়

একটা সময় ছিল ক্লিন শেভ করা ছেলেরা বেশি পছন্দ করতেন। মাঝে কিছুদিন জুলফি রাখার চল ছিল। এখন দাড়ি রাখার চল চলছে। প্রায় সব বয়সী ছেলেরা দাড়ি রাখছেন এবং তাতে তারা বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। সব আকৃতির মুখের সাথে দাড়ি মানিয়ে যায়। এক পরিসংখ্যান দেখা গেছে ক্লিন শেভ করা পুরুষের চেয়ে দাড়ি রাখা পুরুষরা ৫৩% এর বেশি আর্কষনীয়!

নভেম্বর মাসকে নো শেভ মাস বলা হয়। এই মাসে ক্লিন শেভড করা মানুষেরাও দাড়ি রাখেন এবং এর থেকে জমানো টাকা ক্যান্সার গবেষণায় দান করেন। ২০০৯ সালে ফেসবুকে এটি চালু হয়। সারা বিশ্ব জুড়ে বর্তমান সময়ে এটি বেশ প্রচলিত। দাড়ি রাখলেই তো হবে না, এটির জন্য প্রয়োজন পড়ে বাড়তি যত্নের। আজ তাহলে জেনে নেওয়া যাক দাড়ির যত্নের কিছু টিপস।

১। পরিষ্কার রাখা

দাড়িকে চুলের মত নিয়মিত পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। খাওয়ার পর প্রতিবার দাড়ি পরিষ্কার করুন। প্রতিদিন হাজারখানেক মৃত কোষ আমাদের ত্বকে জমা হয় যা দাড়িতে এসে জমা হয়। যা থেকে দাড়িতে চুলকানি সৃষ্টি হয়।

২। শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনিং

দাড়ি পরিষ্কার করার জন্য গায়ে ব্যবহার করা সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ভাল মানের টক্সিন ফ্রি শ্যাম্পু দিয়ে দাড়ি পরিষ্কার করুন। তারপর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এটি দাড়ি নরম রাখতে সাহায্য করবে।

৩। ময়েশ্চারাইজড রাখা

দাড়ি শুধু কন্ডিশন করলে হয় না, এটি ময়েশ্চারাইজ করা প্রয়োজন রয়েছে। বাজারে দাড়িতে ব্যবহারের জন্য এক প্রকার “বিয়ার্ড অয়েল” পাওয়া যায়। এটি দাড়িতে ব্যবহার করুন। এটি দাড়ি নরম এবং ময়েশ্চারাইজড রাখবে। শুধু তাই নয় চুলকানি প্রতিরোধ করবে এই তেল। দাড়িতে তেল লাগিয়ে নিন, তারপর একটি টাওয়েলটি কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। এবার টাওয়েলটি দাড়িতে কিছুক্ষণ রাখুন। আবার গরম পানিতে টাওয়েলটি ভিজিয়ে দাড়িতে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। এভাবে ৩০ মিনিট করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে দাড়ি ধুয়ে ফেলুন। বিয়ার্ড অয়েলের পরিবর্তে আমন্ড অয়েল বা নারিকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

৪। অ্যালোভেরা জেল

অ্যালোভেরা জেল এনজাইমের অন্যতম উৎস। এটি ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। একটি তুলোর বলে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে সেটি মুখ এবং ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। এরপর ১২-২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫। ট্রিমিং

ট্রিমিং শুধু মেয়েদের চুলে করা হয় না। দাড়ি বৃদ্ধি করতেও ট্রিমিং এর প্রয়োজন আছে। নিয়মিত দাড়ি ছাঁটুন। নিজে করতে না চাইলে সেলুনে যেয়ে দাড়ি কাটতে পারেন। প্রতি দুই মাসে একবার দাড়ি ছাঁটা প্রয়োজন।

৬। সঠিক ডায়েট

সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই। ঠিক তেমনি দাড়ি সুস্থ রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক খাবারের। বায়োটিন চুল বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন বি৬, সি, এবং ই সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। এছাড়া ভিটামিন সি, ই, ভিটামিন এ এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় রাখুন।