মেইন ম্যেনু

দিনে দক্ষ ব্যাংক কর্মী ও রাতে যৌনকর্মী!

দিনে তিনি দক্ষ ব্যাংক কর্মী এবং সূর্যাস্তের পর আপাদমস্তক বদলে যান। মেতে ওঠেন যৌনতায়। পাঠক আমরা কোন ভাট বকছিনা। এটি সম্পূর্ণ একটি ঘটনা।

জার্মানির ডয়েস ব্যাংকের ৪৭ বছরের শীর্ষ এই নারী কর্মকর্তার দক্ষ কর্মী হিসেবে খুব নামডাক। কিন্তু কেউ বুঝতে পারেননি রাশভারী এই মহিলাই সূর্যাস্তের পর আপাদমস্তক বদলে যান। অফিস ছেড়ে বেরোনোর পর যৌনতাই হয়ে ওঠে তাঁর বিকল্প পেশা। নিজের নাম পাল্টে দেহ ব্যবসার অলিন্দ্যে তিনি হয়ে ওঠেন মক্ষীরানি কঞ্চিতা। যৌন তৃষ্ণা মেটাতে সেই সময় তাঁর প্রতি ঘণ্টার দাম দাঁড়ায় ৪৫০ ইউরো।

এই মোটা অর্থের বিনিময়ে অভিনব কৌশলে গ্রাহকদের রতিসুখের শীর্ষে পৌঁছে দিতে তিনি সক্ষম। সম্প্রতি অনলাইনে এই ছলনাময়ীর গোপন জীবনের বেশ কিছু ছবি ফাঁস হওয়ার পরই বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। ওসব ছবিতে দেখা গেছে, নাৎসি সামরিক পোশাকে সেজে ক্যামেরার সামনে শারীরিক আবেদন মেলে ধরতেও দ্বিধা করেননি ওই কঞ্চিতা।

শুধু তাই নয়, ওই ওয়েবসাইটে তিনি এও স্বীকার করেছেন, অর্থনেতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করলেও দেহ ব্যবসায়ী হিসেবে আমার গোপন জীবন উপভোগ করি। প্রকাশ্য পেশাগত জীবনে আমার সহকর্মী ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারলে জানি না কী মনে করবেন। কঞ্চিতার আশঙ্কা অবশেষে সত্যি হয়েছে। তাঁর গোপন পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার পর খোয়া গেয়েছে ডয়েস ব্যাঙ্কের লোভনীয় চাকরি। তবে তাতে যে তাঁর বিশেষ আক্ষেপ হয়েছে, এমন কথা ঘোর শত্রুও বলতে পারবেন না!