মেইন ম্যেনু

দিল্লিতে ট্যাক্সি চালককে ধর্ষণের চেষ্টা নারী যাত্রীর!

ট্যাক্সিতে উঠে কোনও মহিলা যাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বা তাঁকে যৌন নিগ্রহ করা হয়েছে, এ ধরনের খবর ভারতের রাজধানী শহর দিল্লিতে নতুন নয়। কিন্তু, কখনও শুনেছেন কি মহিলা যাত্রী ট্যাক্সিতে উঠে চালককে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন?

হ্যাঁ, তেমনটাই ঘটেছে এবার ভারতের রাজধানীর রাজপথে। অন্তত, অটোচালকের অভিযোগ তা-ই। নিগ্রহের হাত থেকে বাঁচতে, পালাতে গিয়ে দু’টো পা-ই ভেঙে ফেলেছেন ওই অটোচালক। থানায় অভিযোগ দায়েরের পর বছর বত্রিশের ওই যুবতীকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।

চালকের অভিযোগ, অটোয় উঠে জোর করে তাঁর সঙ্গে যৌন সহবাস করতে চেয়েছিলেন ওই যুবতী। আটক ওই যুবতী ছাড়াও আরো একজন ছিলেন। যিনি ওই যৌন সহবাসের ভিডিয়ো তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন। পালিয়ে যাওয়ায় তাঁকে ধরা যায়নি।

সফদরজং এনক্লেভ থানার পুলিশ ইনস্পেক্টর বিশুদ্ধানন্দ ঝা জানান, বুধবার দুপুর বেলায় বছর ৪১শের উমেশ যাদবের অটোয় ওঠেন রেনু লালওয়ানি নামে এক মহিলা। দক্ষিণ দিল্লির সাকেত থেকে তিনি অটোয় উঠেছিলেন। নামার কথা ছিল সাত কিলোমিটার দূরে অর্জুন নগরে। অর্জুননগরে গিয়ে রেনু লালওয়ানি চালককে অনুরোধ করেন, তাঁর ফ্ল্যাটে যেতে। কারণ, তাঁর কাছে ভাড়ার কিছু টাকা কম পড়ে। এরপর চালককে জল খেতে দিয়ে ফ্ল্যাটের দরজায় ছিটকিনি তুলে দেন ওই মহিলা।

অভিযোগ, এরপরই শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার জন্য উমেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন ওই মহিলা। উমেশ রাজি না হলে, তাঁকে মদ খেতে বলেন ওই মহিলা। তাতেও রাজি না-হলে, মহিলা নিজের পোশাক খুলে উমেশকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করেন। তাঁকে চুম্বন করতে থাকেন। গোটা ঘটনা ভিডিয়োয় তুলতে থাকেন আর এক মহিলা।

প্রায় একঘণ্টা পর দুই মহিলা পাশের ঘরে কথা বলতে গেলে, দোতলার ব্যালকনি থেকে ঝাঁপ দেন ওই অটোচালক। তাতে পা ভেঙে যায় ওই চালকের। ওই মহিলার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চারটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছে পুলিশ। ধারণা, ওই মহিলা এর আগেও বেশ কয়েক জন চালককে ফাঁদে ফেলেছেন।