মেইন ম্যেনু

দিল্লিতে নতুন নজির, মন্ত্রীদের কেউ বাসে, সাইকেলে অফিসে গেলেন

দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার নতুন নজির সৃষ্টি করলো ভারতে।নিজেদের তৈরি আইন মানতে গিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্যদের কেউ বাইসাইকেলে,কেউবা বাসে-অটোতে, কেউবা মোটাবাইকে চেপে অফিস করেছেন।

নগরীর দূষণ ঠেকাতে আলাদা দিনে জোড়-বেজোড় নম্বরের গাড়ি চালানোর বিধান চালু করে কেজরিওয়াল সরকার। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে এই বিধান চালু করার আজ প্রথম দিনটি এভাবেই পার করেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা ছাড়াও নগরবাসী।

শুক্রবার থেকে ১৫ দিনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু থাকবে। এর ফলে রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা এক ধাক্কায় অর্ধেকে নেমে আসায় রাজধানীর রাস্তায় নতুন আমেজ দেখা দেয়।

অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এই সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে দিল্লিতে।
জানা যায়, আম-আদমি সরকারের ঘোষণা মতো পয়লা জানুয়ারি সকাল থেকে রাজধানীর রাস্তায় জোড়-বিজোড় তত্ত্ব মেনে গাড়ি চলা শুরু হয়েছে।

এনডিভির খবরে বলা হয়, শুক্রবার বেজোড় নম্বরের গাড়ি চলার দিন ধার্য থাকায় এ নিয়মের ফাঁদে পড়তে হয়নি মুখ্যমন্ত্রীকে।

এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যেন্দর জৈন ও পরিবহণমন্ত্রী গোপাল রাইয়ের সঙ্গে একই গাড়িতে চপে বিধানসভায় আসেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল!

কেজরিওয়াল ও তার মন্ত্রীরা বলেছেন, তারা গাড়ি ভাগাভাগি করে চলবেন, বাইসাইকেলে চড়বেন কিংবা বাস ধরবেন।

শুক্রবার পর্যটনমন্ত্রী কপিল মিশ্র কাজে বের হন মোটরবাইক নিয়ে।

পরিবেশমন্ত্রী ইমরান হুসাইনের গাড়ির নম্বর জোর সংখ্যার। তিনি ব্যটারিচালিত অটো রিকশায় করে মন্ত্রণালয়ে যান।

আর সমাজকল্যাণমন্ত্রী সন্দিপ কুমারও বাস ধরে অফিসে যাওয়ার কথা বলেছেন।

সিসোড়িয়া সাইকেল ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, “আমার গাড়ি বেজোড় সংখ্যার। জোড় সংখ্যার দিনে আমি সাইকেলে চড়ে অফিসে যাব।”

দিল্লিবাসীকে উৎসাহ দিতে দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোড়িয়া বলেছেন, নগরীর স্বার্থে সব সময় নিজেদের গাড়ি ব্যবহারের চিন্তা আমাদের ছাড়তে হবে।”

কেউ এই নিয়ম ভাঙলে তাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান রয়েছে। তবে গ্যাসচালিত বাস, ট্যাক্সি বা অটোরিকশা, অ্যাম্বুলেন্স এবং ভিআইপিদের গাড়ি এর আওতায় আসবে না বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।