মেইন ম্যেনু

দিল্লিতে পানি নেই, ঘরে ঘরে হাহাকার

ভারতের দিল্লি রাজ্যে ব্যবহারোপযোগী কোনো পানি নেই। পানির জন্য হাহাকার পড়ে গেছে। চরম দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে দিল্লিবাসী।

বিক্ষোভে উত্তাল জাঠ সম্প্রদায় দিল্লিতে পানি সরবরাহের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় চরম পানি সংকটে পড়েছে দিল্লির লোকজন। স্কুল, কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলো সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে।

জাঠ সম্প্রদায়ের বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে সবশেষ খবর মতে ১০ জন নিহত হয়েছে। এতে করে জাঠরা আরো বেশি উত্তাল হয়ে রাজপথ দখল করে রাখার চেষ্টা করছে।

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে জাঠরা বিক্ষোভ শুরু করে সর্বস্তরে কোট সংরক্ষণের দাবির জন্য। হরিয়ানা রাজ্য সরকার তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও তারা তাতে আশ্বস্থ হতে পারেনি। ফলে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখে। এক পর্যায়ে জাঠরা সহিংস হয়ে ওঠে। বিক্ষোভ দমনে গুলি চালায় পুলিশ। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বিক্ষোভ দমনে সরকার যত কঠোর হচ্ছে, জাঠরাও তত সহিংস হয়ে উঠছে। বেশ কয়েকটি রেল স্টেশন অগ্নিসংযোগ করেছে তারা। সড়ক পথও অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে জাঠরা দিল্লিতে পানি সরবরাহের ক্যানাল বন্ধ করে দিয়েছে। পানির অভাবে অচল হয়ে পড়েছে দিল্লি।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল রোববার ঘোষণা দিয়েছেন, দিল্লির কোথাও পানি নেই। চরম সংকটে পড়েছে দিল্লিবাসী। এই সংকট আরো দুদিন থাকতে পারে।

সংকটক মোকাবিলায় এরই মধ্যে বিনামূল্যে পানীয় জল সরবরাহ করা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, যে পরিমাণ পানি মজুদ আছে, তা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে। তা ছাড়া যে যেভাবে পারে, তারা যেন পানি মজুদ রাখার ব্যবস্থা করে।

মুনাক ক্যানাল থেকে দিল্লিতে পানি সরবরাহ হয়। বিক্ষুব্ধ জাঠরা পানি সরবরাহের পথ বন্ধ করে দেওয়ার পর তা খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও হরিয়ানা রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কেজরিওয়াল।

এদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, মুনাক ক্যানাল সচল করতে সেনা পাঠানো হয়েছে। তবে আজই তা সচল হবে কি না, তার কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।