মেইন ম্যেনু

দীর্ঘদিনের দাম্পত্যে রোমান্স ও উত্তেজনা ধরে রাখার ১৫টি গোপন ফর্মুলা!

কোন কোন জুটি এতটাই রোমান্টিক হন যে তাঁদের দেখে সকলেই ভাবেন, “এত বছর পরও রোমান্স এত সতেজ কীভাবে?” সত্যি কথাটা কিন্তু এই যে যতই ভালোবাসা থাকুক না কেন, কিছু সময় পার হয়ে দুটি মানুষের মাঝে সম্পর্কটা একটু একঘেয়ে হয়েই যায়। জীবনটা বাঁধা পড়ে যায় রোজকার দিনযাপন আর অহেতুক ঝগড়ায়। তবে হ্যাঁ, সম্পর্ক আজীবন রোমান্টিক আর উত্তেজনায় ভরে রাখার আছে কিছু ফর্মুলা। সেই ব্যাপারগুলো নিয়মিত চর্চা করতে হয় দাম্পত্যে আর তাতেই সম্পর্কটা থাকে সবসময় আবেদনময়।

১) ঝগড়াকে ভয় পাবেন না। ঝগড়া হবে, মান অভিমান হবে আর তবেই না কাছে আসার রোমান্টিক বাহানা মিলবে। তবে হ্যাঁ, ঝগড়া কখনো এতটাও বাড়তে দেবেন না যেন দুজনের মাঝে দূরত্ব অনেক বেড়ে যায়।

২) প্রিয় মানুষটিকে চুম্বনের গুরুত্ব কখনোই অবহেলা করবেন না। সব চুম্বনই যৌনতা নয়। বরং চুম্বন হচ্ছে ভালোবাসার সেতুবন্ধন।

৩) মনে রাখবেন, সম্পর্কে আশা-প্রত্যাশা ও অঙ্গীকার থাকবেই। তিনি যেমন করবেন আপনার জন্য, আপনাকেও করতে হবে।

৪) উপহার দিন, অবশ্যই দিন। বিয়ের কিছু বছর পরই বিশেষ দিনেও উপহার দেয়া হয়ে ওঠে না। যদিও অকারণেই উপহার দেয়াটা খুব জরুরী।

৫) “ভালোবাসি” বলুন, কারণে অকারণে বলুন। সকলের সামনে বলতেও দ্বিধা করবেন না।

৬) কখনো ভুল করেই পাবলিক প্লেসে প্রিয় মানুষটিকে ছোট করবেন না।

৭) কখনো কোন অবস্থাতেই অন্যদের সামনে প্রিয় মানুষটিকে ছোট করবেন না, হাসির পাত্র বানাবেন না।

৮) পরস্পরের জীবনের সবচাইতে ভরসার পাত্র হয়ে উঠুন। এমন একজন মানুষ হয়ে উঠুন যাকে সবই বলা যায়। চোখ বুজে বিশ্বাস করা যায়।

৯) প্রিয় মানুষটির আবেগের দাম দিন, আবেগে সাড়া দিন, তার পছন্দ-অপছন্দ মেনে নিজেকে সাজান।

১০) ধন্যবাদ প্রকাশ করতে কখনো ভুলবেন না। ক্ষমা চাইতেও দ্বিধা করবেন না। ভালোবাসায় স্যরি ও থ্যাঙ্ক ইউ থাকে না, এটা একদমই বাজে কথা।

১১) রোজ নিয়ম করে দুজনে আড্ডা দিন, একসাথে টি ভি দেখুন, খান। রাতে ঘুমোতে যাবার আগে নিজের মনে জমে থাকা কথাগুলো বলুন।

১২) লোকের সামনে কখনো ঝগড়া করবেন না। কখনোই না।

১৩) যৌনতাকে কখনো অবহেলা করবেন না। সুন্দর রোমান্টিক সম্পর্কের জন্য যৌনতা অত্যন্ত জরুরী।

১৪) নিজেকে কখনো অবহেলা করবেন না। নিজেকে ভালবাসুন, নিজেকে ভালো রাখুন। সঙ্গীও আপনার দিকে অন্য ভাবে তাকাবেন।

১৫) রোজকার চাল-ডালের হিসাব আর দিনযাপনের একঘেয়ে কথাবার্তা সারাক্ষণ বলবেন না। এগুলো যতটা সম্ভব কম বলুন। অভিযোগও যতটা সম্ভব কম করুন। পরস্পরের পরিবার নিয়ে বাজে কথা তো ভুলেও বলবেন না। সঙ্গীকেও কখনো গালাগাল করবেন না বা গায়ে হাত তুলবেন না।