মেইন ম্যেনু

দুই বান্ধবী নিয়ে বিপাকে রোনালদো!

রাশিয়ান হট মডেল ইরিনা শায়েকের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই একা একা দিন পার করছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এখনও তিনি জোড়া বাধতে পারেননি। এরই মধ্যে যে আলোচনা তৈরী হয়নি তা নয়, মূলতঃ স্প্যানিশ মিডিয়াই রোনালদোকে নিয়ে নিত্যনতুন প্রেমের গল্প ফাঁদে।

মাঝে-মধ্যেই খবর বের হয়, সিআর সেভেনের মন কেড়ে নিয়েছেন অমুক-তমুক। তবে কয়েকদিন পর পর ওঠা সেই গুজব কপ্পুরের মতো উবে যায়। রোনালদো থেকে যান রোনালদোতেই।

লা লিগা ও চ্যাম্পিয়্ন্স লিগের হাতছানি রিয়াল মাদ্রিদের মহাতারকার সামনে। তবুও এর মাঝে এর মাঝেই চেষ্টা চলছে রোনালদোকে জোড়া গার্লফ্রেন্ড দিয়ে ব্লক করার চেষ্টা স্পেনের গণমাধ্যমের।

একদিকে মার্কিন মুলুকের সুপারমডেল ও সাবেক মিস আমেরিকা ড্যানিয়েলা গ্রেস, তো অন্যদিকে বার্সালেনোর ডাই-হার্ড ফ্যান ও পাইলট আলেজান্দ্রা ম্যানিকুইজ।এই দু’ই ছদ্ম গার্লফ্রেন্ডকে ব্লকার হিসেবে খেলিয়েই সিআর সেভেনকে ব্লক করার চেষ্টা স্প্যানিশ মিডিয়ার।

এনবিএ তারকা ব্লেক গ্রিফিনের সাবেক গার্লফ্রেন্ড ড্যানিয়েলার সঙ্গে রোনালদোর কোনও ছবিই মিডিয়ার হাতে আসেনি। সোশাল মিডিয়াতেই নিয়মিত দু’জনের কথা হয় বলে খবর। সম্পর্কের খবর যাতে বাইরে না আসে তাই মার্কিন সুন্দরী তার আর রোনালদোর ছবি পোস্ট করেননি।

অন্যদিকে, বছর তেইশের আলেজান্দ্রা নিজেই বলছেন, ‘প্রথম সাক্ষাতেই রোনালদোকে জানিয়ে দিয়েছিলাম যে, আমি বার্সেলোনার অন্ধভক্ত; কিন্তু মানুষ হিসাবে আমি তোমাকে পছন্দ করি। রোনালদো আমার কথা শুনে হেসে উঠেছিল। ও ভীষণ রোম্যান্টিক।’

আলেজান্দ্রার সঙ্গে রোনালদোর ঘনিষ্টতা হয়ে ওঠা অত্যন্ত স্বাভাবিক। কারণ, এই নারীই রোনালদোর ব্যক্তিগত বিমানের পাইলটও বটে। ফলে ওই নারীর সঙ্গে রোনালদোর ছবিও রয়েছে। দু’জনে একসঙ্গে ডিনারও করেছেন। শেষ এক বছর ধরেই রোনালদোর বিমান চালাচ্ছেন তিনি। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত রোনালদোর জীবনে কে থাকেন মার্কিন সুন্দরী নাকি বার্সার পাইলট?