মেইন ম্যেনু

দুই সন্তানের জননীকে সারারাত ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ

চট্টগ্রামের পূর্ব রাউজানে এক লম্পটের হাতে দুই সন্তানের জননী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় বিচার করার নামে সময়ক্ষেপন করায় কোন বিচার না পেয়ে ধর্ষিতা দুই সন্তানের জননীকে স্বামী তালাক দিয়ে তার বাপের বাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগে পাওয়া গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার ৭নং রাউজান ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পুর্ব রাউজান টিলার পাড় এলাকার গৃহবধু দুই সন্তানের জননী কে গত ৩ ফেব্রয়ারী রবিবার রাত দশটায় জোরপুর্বক ধর্ষন করেন একই এলাকার আসমত আলী চৌকিদারের বাড়ীর এজাহার মিয়ার পুত্র লম্পট নুরুচ্ছাপা (২৭)। ধর্ষিতা দুই সন্তানের জননী ঘটনার ব্যাপারে সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার দিন রাতে ঘরে তার স্বামী শহিদুল ইসলাম, শাশুড়ি খদিজা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা আত্মীয় বাড়ীতে বেড়াতে গেলে লম্পট নুরুছ্ছাপা ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষিতার আ্ড়াই বৎসর বয়সের পুত্র সন্তান আরিফুল ইসলামকে ধরে তার গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যা করার হুমকি দেয় ।

এসময় ধর্ষিতা তার পুত্র সন্তানকে বাচাঁতে এগিয়ে আসলে তাকে ভয় দেখিয়ে জোরপুর্বক সারারাত লম্পট নুরুচ্ছপা ধর্ষন করে। ঘটনার পর দিন ধর্ষিতা ঘটনার বিষয়ে তার শ্বাশুরী ও স্বামীকে ঘটনার বিষয়ে জানায়। ধর্ষনের ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে এলাকার এক জনপ্রতিনিধিসহ এক সালিসি বৈঠক করেন । সালিসি বৈঠকে লম্পট নুরচ্ছাপা উপস্থিত হয়নি, লম্পট নুরচ্ছাপার পিতা এজাহার ও তার পক্ষের লোকজন উপস্থিত হয়ে নুরুচ্ছাপাকে উপস্থিত করার জন্য সময় নেয় । পরবর্তী বৈঠকে ও লম্পট নুরচ্ছাফাকে উপস্থিত করা হয়নি । ধর্ষনের এ ঘটনা সালিসি বৈঠকের মাধ্যমে বিচার করার নাম দিয়ে সময় কালক্ষেপন করায় র্ধাষতা দুই সন্তানের জননী কোন বিচার পায়নি ।

অপরদিকে গত ২ মার্চ বুধবার সকালে ধর্ষিতা দুই সন্তানের জননীকে লম্পট নুরুচ্ছাপা জোর পুর্বক ধর্ষন করায় সামজিক ভাবে মান সম্মান ক্ষুন্ন হওয়ার অভিযোগ এনে তালাক দিয়ে বাপের বাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়েছে ধর্ষিতার স্বামী। এই ঘটনার ব্যাপারে ধর্ষিতার স্বামী বলেন, আমি কোন বিচার পায়নি এই অপমানে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তার বাপের বাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় মেম্বার সাইফুল ইসলাম বলেন, ধর্ষিতার অভিযোগ পাওয়ার পর লম্পট নুরুছ্ছাপার মোবাইল ফোনে ধর্ষিতার আপত্তিকর কথা রেকডিং শুনে আমার সালিসি বৈঠক করেছি। সালিসি বৈঠকে লম্পট নুরচ্ছাফা উপস্থিত হয়নি । একারনে ধর্ষনের ঘটনার বিচার করা সম্ভব হয়নি । সালিশি বৈঠকের সালিশান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী শফি জানান সালিশি বৈঠকে অভিযুক্ত লম্পট নুরচ্ছাফা উপস্থিত না হওয়ায় বিচার করা হয়নি।

৭নং রাউজান ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আকতার আলম ভুলু বলেন ঘটনাটি মর্মান্তিক। ধর্ষনের ঘটনার পর ধর্ষিতা ও তার পরিবারের সদস্যরা আমার কাছে ও রাউজান থানায় গিয়ে মামলা করার জন্য প্রচেষ্টা করলে স্থানীয় মেম্বার সাইফুল ইসলাম, হাজী শফি সহ এলাকার কয়েকজন লোক ধর্ষনের ঘটনার বিচার করার নাম দিয়ে আমার কাছে ও রাউজান থানায় যেতে দেয়নি ধর্ষিতা ও ধর্ষিতার পরিবারকে ।

ধর্ষিতার পিতা বলেন জোর পূর্বক ধর্ষন করায় স্বামী তালাক দিয়ে দুই সন্তানসহ আমার বাড়ীতে মেয়েকে পাঠিয়ে দিয়েছে । আমি আমার মেয়ের ধর্ষনকারী লম্পট নুরচ্ছাফার বিচার চাই। এদিকে ধর্ষনের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুল প্রদীপ চাকমা বলেন ধর্ষনের ঘটনা মবিচার করার ক্ষমতা স্থানীয় কোন মেম্বার ও সামজপতিতের নেইা।