মেইন ম্যেনু

দুটি গরু কিনলে একটি ছাগল ফ্রি!

গাবতলী পশুরহাটের প্রবেশ পথে ঢুকতেই মানুষের জটলা।একটু কাছে গেলেই দেখা যায়। লাল রংয়ের দুটি গরুকে ঘিরে রেখেছে উৎসুক জনতা। গরু গুলোকে নিয়ে কেউ কেউ মুঠোফোনে সেলফি তোলায় ব্যস্ত। এসময় দুটি গরু কিনলে একটি ছাগল ফ্রি! এমন ঘোষণা দিয়ে উচ্চ মূল্য হাঁকছেন এক বিক্রেতা। গরুর দুটির দাম চাওয়া হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।

ঈদুল আযহার বাকি আর মাত্র একদিন। রাজধানীর পশুর হাট এখনও জমে নি কিন্তু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন আফার দিয়ে প্রতিদিন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছেন।

কথা হয় মানিকগঞ্জ থেকে আসা গরুর মালিক আইনুল ব্যাপারীর সাথে তিনি জানান, আমি প্রতি বছর গাবতলী পশুর হাটে গরু ছাগল নিয়ে আসি এবারও ২০টি গরু ও ১২টি ছাগল নিয়ে এসেছি। প্রতি জোড়া গরুর দাম চাচ্ছি ১১ থেকে ১২ লাখ টাকা। সঙ্গে একটি ছাগল ফ্রি দিচ্ছি।

গরু কিনলে কেন ছাগল ফ্রি দিচ্ছেন এমন প্রশ্নর জবাবে মালিক আইনুল ব্যাপারী জানান, এবার বেচাকেনা কম তাছাড়া আজকাল সব কিছুর সঙ্গেই কিছু না কিছু ফ্রি দেয়। তাই আমিও ফ্রি ঘোষণা দিলাম।

এই গরু গুলোকে কি খাওয়ান? এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতা বলেন, নিয়মিত ছোলা, গমের ভূষি, আখের গুঁড়, সেদ্ধ ভাত, ধানের খড়, খেসারি, খৈল, ও কাঁচা সবুজ ঘাস খাওয়াতে হয়। এখানে পশুর খাবারের দাম বাড়তি তাই গরুকে ঠিকমত খাওয়াতে সমস্যা হচ্ছে।

মিরপুর থেকে গরু কিনতে আসা মুমিন তালুকদার জানান, আগের বছরের চয়ে এবার গরুর দাম অনেক বেশী চাওয়া হচ্ছে। আমি গতকাল এই হাটে এসেছিলাম গরু ছাগল কিছু্ই কিনতে পারিনি আজকেও হাটে ঘুরছি। যানি না কি হবে?

তিনি আভিযোগ করে বলেন, এই পশুর হাটে অনেক বিক্রেতা বিভিন্ন অফার দিচ্ছেন কিন্তু তারা পশুর সাভাবিক মূল্যর চেয়ে অনেক বেশী দাম চাচ্ছেন।

গাবতলী গবাদি পশুর হাটের পরিচালক রাকিব ইমরান বলেন, গতকয়েক দিন বেচা-কেনা কম থাকলেও আজকে অনেক পশু বেচা-কেনা হচ্ছে। আমরা মাইকের মাধ্যেমে ক্রেতাদের সুবিধার্থে বিভিন্ন অফারসহ লোকেশন বলে দিচ্ছি। তাছাড়া এক মাস আগে থেকেই আমরা সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিতের কাজ শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, এবার পশুর হাটে চাঁদাবাজি, অজ্ঞান পার্টি ও জাল নোট প্রতিরোধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তকরণের জন্য ১০টি কাউন্টারে দুটি করে ২০টি মেশিন বসান হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোও জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন বসিয়েছে। তাছাড়া হাটের উপরে ২০টি ওয়াচ টাওয়ার বসানো হয়েছে।