মেইন ম্যেনু

দুটি পিঁপড়া মুখোমুখি হলে যা করে

চলতে চলতে দু’টি পিঁপড়া মুখোমুখি হলে তারা থমকে দাঁড়ায়, সেটা নিশ্চয়ই অনেকবার খেয়াল করেছেন। কিন্তু কেন তারা থমকে দাঁড়ায় এবং দাঁড়িয়ে কী করে, তা কি জানেন? অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন যে পিঁপড়ারা একে অপরের গায়ের গন্ধ শোঁকে কিন্তু কেন জানেন?

পিঁপড়ারা একটি কলোনির মতো একসঙ্গে থাকে। অত্যন্ত পরিশ্রমী হওয়ার পাশাপাশি তারা খুবই দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন। খাবার জোগাড় করলে তারা সেই খাবার বাসায় নিয়ে গিয়ে সবার সঙ্গে ভাগ করে খায়। এই এক একটি বাসা হলো এক একটি ‘পেরেন্ট নেস্ট’।

মানুষের মধ্যে যেমন অনেক সময় এক পাড়ার মানুষের সঙ্গে অন্য পাড়ার মানুষের দ্বন্দ্ব থাকে, পিঁপড়াদের মধ্যেও ব্যাপারটি তেমন! একটি পেরেন্ট নেস্ট-এর সঙ্গে অপর পেরেন্ট নেস্টের ব্যাপক রেষারেষি। দু’টি পিঁপড়া মুখোমুখি হলে তারা একে অপরের গায়ের গন্ধ শুঁকে বোঝার চেষ্টা করে যে অন্য পিঁপড়াটি তার নিজের নেস্ট-এর কি না। যদি তা হয় তবে কেউ কাউকে না ঘাঁটিয়ে নিজের পথ ধরে।

পিঁপড়াটি যদি অন্য নেস্ট-এর হয়, তবে তারা জমিয়ে মারপিট করে এবং সে মারামারি কিন্তু মরণপণ। একজন চেষ্টা করে অন্যজনকে মেরেই ফেলতে। এই জন্যই খেয়াল করে দেখবেন কোনও কোনও সময়ে দু’টি পিঁপড়া মুখোমুখি হয়েই এগিয়ে যায়। আবার কিছু সময় তারা বেশ কয়েক সেকেন্ড মুখোমুখি থাকে এবং ক্রমশ শুঁড়ে শুঁড়ে লাঠালাঠি করে।

পিঁপড়ার তলপেটে ফেরোমোন গ্ল্যান্ড থাকে এবং এই গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসৃত হরমোনের গন্ধ থেকেই তারা সনাক্ত করে তাদের গোষ্ঠীর সহ-পিঁপড়াদের আর গন্ধটা একটু সন্দেহজনক হলেই, আর যায় কোথায়!