মেইন ম্যেনু

দুধে কমবে সিগারেটের আগ্রহ

করপোরেটের চাকরি, কাজের প্রচুর চাপ। প্রতি সপ্তাহে টার্গেটের চাপ, টার্গেট ফুলফিল করতে না পারলেই বসের বাজে কথা। ওদিকে আবার স্ত্রীকে সময় দিতে না পারলেই ঝগড়া। এতো চাপে মাথা হয়ে যায় পুরো জ্যাম। আর সেই জ্যাম কাটানোর জন্যই ঘনঘন তাকে সিগেরেট টানতে হয়।

কিন্তু আর না শরীরটা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। বেড়ে গেছে শ্বাসকষ্টও। তাই শিমুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিগারেটটাকে এবার ছেড়েই দেব। যদিও শিমুলের মতো অনেকেই রোজ সিগারেট ছেড়ে দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেন। কিন্তু চাপের কাছে নতি স্বীকার করে কয়েকদিন পর থেকেই তাদের মুখে দেখা যায় আবারও আগুন জ্বলছে।

তাই তাদেরকে বলছি- ধূমপান ছেড়ে দেয়া খুব একটা সহজ কাজ না হলেও তা বিনাপয়সাতেও ছাড়া সম্ভব। আসলে সবকিছুই অভ্যাসের ফলেই করা সম্ভব হয়। এবার দেখে নেয়া যাক ধূমপান ছাড়ার উপায়-

১. ভিটামিন সি যুক্ত ফল খেলেই সিগারেট টানার ইচ্ছে চলে যায়। এমনকী, রোজ রাতে এবং দুপুরে খাওয়ার পর দুধ পান করুন। তারপর সিগারেট টেনে দেখুন। এমন তিতা লাগবে যে, নিজের মন থেকেই সিগারেট ছেড়ে দেবেন।

২. অফিসে এমন কলিগের সঙ্গে মেলামেশা করুন যিনি বা যারা সিগারেটের বন্ধু নন। তাহলে ধীরে ধীরে আপনারও এ ইচ্ছা চলে যাবে। অফিসের বাইরে আড্ডা দেয়ার সময় মুখে চুইংগাম চিবাতে পারেন। খেয়াল রাখবেন, যাতে অবসর সময় মুখ ফাঁকা না থাকে।

৩. মাথায় প্রচুর চাপ, সিগারেটের জন্য মন ছটফট করছে। এ রকম সময় জিভে খানিকটা লবণ দিয়ে দিন। দেখবেন, আস্তে আস্তে সিগারেট টানার প্রবণতা চলে যাবে।

৪. সিগারেট টানা হঠাৎ করে ছেড়ে দিলে মোটা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই যদি মনে করে থাকেন সিগারেট ছেড়ে দেবেন, তাহলে আগে থেকেই ব্যায়াম করা শুরু করে দিন। নিয়মিত ব্যায়াম করার ফলে সিগারেট টানার প্রবণতাও ধীরে ধীরে লোপ পায়।

৫. মানুষ হল অভ্যাসের দাস। মন শক্ত করুন। সবচেয়ে বড় কথা বারবার এটা মনে ভাববেন না যে, আপনি সিগারেট টানা ছেড়ে দিচ্ছেন। এ কথা যদি বেশি চিন্তা করেন তাহলে কিন্তু কখনওই আপনার এ শত্রুকে ছাড়তে পারবেন না। তাই নিজের প্রিয়জনদের হাসি মুখের কথা চিন্তা করে আজই ছেড়ে দিন সিগারেট।