মেইন ম্যেনু

দু ফুট বৌয়ের ছয় ফুট স্বামী

কথায় আছে ভালবাসা মানে না কোনো বাধা।ভালবাসার কাছে ধনী গরিব,বড় ছোট,সাদা কালো সবই যেন হার মানে। যদি সবকিছুই হার মানে তাহলে সেক্ষেত্রে উচ্চতাও কোন বাধা হতে পারেনা। ভালবাসার এমনই এক নজির মিলল ইংল্যান্ডের হিঙ্কলে শহরে।

আমান্ডা ফাইফে ছোটবেলা থেকেই ‘Osteogenesis Imperfecta’ রোগে আক্রান্ত, যার আক্ষরিক অর্থ ভঙ্গুর হাড় রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারনে তাকে হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতে হয়। এছাড়া তার স্বাভবিক শারীরিক বৃদ্ধিও অন্যদের তুলনায় অনেক কম। তার উচ্চতা মাত্র দুই ফুট আট ইঞ্চি। আমান্ডার যখন জন্ম হয় তখন ডাক্তাররা তার বাবা-মা কে বলেছিলেন, তাদের কন্যা এক রাতের বেশী বাঁচবে না। কিন্তু মত্যুই মনে হয় হার মেনেছে আমান্ডার কাছে। কারন সে বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে এবং এখন এক সন্তানের মা।

আমান্ডার স্বামী স্টিভেন উচ্চতায় ছয় ফুট এক ইঞ্চি।আমান্ডা স্টিভেনের প্রথম পরিচয় হয় ২০০৭ সালের দিকে। তারা একটি ট্যাক্সি ডিপোতে একসাথে কাজ করত। তখন তারা কখনো ভাবেনি তাদের এই একসাথে কাজ করা থেকে ভালবাসার জন্ম হবে। আমান্ডা সবসবময় ছেলেদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখত। কারন সে মনে করত, এত কম উচ্চতা নিয়ে একজন ভাল মনের মানুষ খুঁজে বের করা সত্যিই কঠিন। এরপরেও দুজনের মাঝে বন্ধুত্ব হয় এবং দীর্ঘ দুই বছর পর তারা এক অপরের সাথে ঘুড়তে যায়। আমান্ডার ভাষ্যমতে ‘কিছু লোক আমাদের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত। কিন্তু সেগুলো আমরা এড়িয়ে চলেছি।’

২০১২ সালের দিকে আমান্ডা ও স্টিভেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি ছেলে আছে । তার নাম এইডেন।সন্তান জন্ম দেয়ার সময় আমান্ডার সমস্যা হওয়ার কথা থাকলেও স্বাভাবিকভাবেই এইডেনের জন্ম হয়। তার উচ্চতাও তার মায়ের থেকে বেশী। যেহেতু আমান্ডা আর কোন সন্তান জন্ম দিতে পারবেনা তাই এইডেনের জন্য একটি ভাই বা বোন দত্তক নেয়ার কথা ভাবছে এই দম্পতি।