মেইন ম্যেনু

দূরত্ব কমল পাপন-দুর্জয়ের

বেশ কিছু দিন ধরে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এবং নাইমুর রহমান দুর্জয়ের মধ্যে শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছিল। বিশেষ করে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান হিসেবে দুর্জয়ের সিদ্ধান্তগুলো উপেক্ষিত হচ্ছিল। বিসিবির শীর্ষপর্যায়ে গুরুত্ব পাচ্ছিল না বিসিবির এই পরিচালকের মতামত

এতে করে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে দূর্জয়ের দূরত্ব ক্রমশই বাড়ছিল। তাই এ নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে মিরপুরে যেন বুধবার একটু কৌতূহলই ছিল। কী ঘটে জানার অপেক্ষায় ছিলেন সংবাদকর্মীরা। এমনকি বুধবার বিসিবির ১২তম বোর্ড সভাও বর্তমান সরকারের দুই সাংসদের দূরত্বের কারণ নিয়ে সরগরম হওয়ার আভাস মিলেছিল। একই সঙ্গে এদিন পত্র-পত্রিকায়ও এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।

তবে বুধবার দুপুরে বোর্ড সভার আগে বিসিবিতে দুর্জয়ের সঙ্গে এসেছিল শ’খানেক লোকজন। বিসিবিতে আসলেও বোর্ড মিটিংয়ে রুমে প্রবেশের সম্ভাবনা কমই ছিল বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়কের। কিন্তু উত্তাপ বাড়ার আগেই বিসিবির বিভিন্ন পরিচালকদের হস্তক্ষেপে নাজমুল হাসান পাপন নিজেই হাত বাড়িয়ে দিলেন। বোর্ড সভার আগে নিজের রুমে ডেকে নিয়ে দুর্জয়ের সঙ্গে একান্তে আলাপ করেন পাপন।

বিসিবি সূত্রের খবর, দুই সংসদ সদস্য নিজেদের মধ্যে প্রায় ৩০ মিনিটের মতো আলোচনা করেন। সেই আলাপ শেষেই দুজন এক সঙ্গে বোর্ড সভায় প্রবেশও করেন। যদিও সভা শেষ হওয়ার পরপরই দুর্জয় বিসিবি থেকে বের হয়ে যান।

এ বিষয়ে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান দুর্জয় বলেন, ‘এর আগে যা কিছু হয়েছে সবকিছুই আপনারা জানেন। নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে যেসব সমস্যা ছিল সেগুলো কেটে গেছে। আসলে যোগাযোগের অভাবে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল। সেগুলো সমাধান হয়ে গেছে।’

বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতির কাছেও দুর্জয়ের বিষয়ে জানতে চান সংবাদকর্মীরা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার তো ওর (দুর্জয়) সঙ্গে রোজই কথা হয়। কোনো সমস্যা নেই আমাদের।’

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের এই বক্তব্যে প্রতীয়মান সমস্যার সমাধান হয়েছে। তবে আপাত সমাধান বলাই ভালো। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩০ মিনিটের ওই একান্ত বৈঠক কিছুটা ভুল বোঝাবুঝির অবসান করেছে। কিন্তু তা দুর্জয়ের ক্ষোভ পুরোপুরি প্রশমিত করেছে তা বলা যাবে না। কেননা বোর্ড সভা শেষ করেই দুর্জয় আগেভাগেই বিসিবি ত্যাগ করেছেন। তাই তো এই প্রশ্নটা নতুন করে থেকেই যাচ্ছে।